পথকুকুরদের খিদে মেটাতে পথে নামল মালদহের একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা !

পথকুকুরদের খিদে মেটাতে পথে নামল মালদহের একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা !

পথকুকুরদের ত্রাতা হয়ে এগিয়ে এলেন মালদহের কিছু যুবক।

  • Share this:

#মালদা: লকডাউনে শুনসান রাস্তা-ঘাট। আর তাতেই পেটে টান পড়েছে পথকুকুরদের। এই পথকুকুরদের ত্রাতা হয়ে এগিয়ে এলেন মালদহের কিছু যুবক। লকডাউনে প্রতিদিন রাতে ইংরেজবাজার শহরের অলি-গলি ঘুরে পথকুকুরদের বিস্কুট, চিকেন, ভাত খাওয়াচ্ছেন তাঁরা। তাঁদের উদ্যোগে খুশি সারমেয় প্রেমীরা। ইংরেজবাজার শহরের গলি থেকে রাজপথ সর্বত্র পথ কুকুরের দৌরাত্ব্য দেখা যায়। পথকুকুরের দৌরাত্ব্য কমাতে কোন হেলদোল নেই পুরসভার। পশু প্রেমীদের দাবি, শহরে প্রায় হাজার খানেক পথ কুকুর রয়েছে।

লকডাউনে প্রভাব পড়েছে সেই পথ কুকুরদের উপরেও। কারন শহরের হোটেল, রেস্তোরাঁ, ফুটপাতের ফাস্টফুডের দোকানের ঝাঁপ গত, রবিবার থেকে বন্ধ রয়েছে। এই দোকান গুলির খাওয়ার খেয়েই দিন কাটে পথ কুকুরদের। ফলে সেই দোকান গুলি বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েছে পথ কুকুরেরা। তাদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এল সারমেয় প্রেমীদের একাংশ। ভিড় না করে হাতে মাস্ক, দস্তানা পরে শহরের ফোয়ারা মোড়, অভিরামপুর, গৌড় রোড, মকদমপুর এলাকায় কুকুরদের মধ্যে বিস্কুট, চিকেন বিলি করেন সারমেয় প্রেমী রতন সাহা। তিনি বলেন, “সারা বছরই পথ কুকুরদের খাওয়ায়। তবে নির্দিষ্ট রুটের কুকুরদেরই খাওয়াতাম। এখন অন্যান্য এলাকা গুলিতে গিয়েও খাওয়ার বিলি করছি। কারন লকডাউনে সেই কুকুরদের পেটে কোনও খাওয়ার পড়ছে না।” তাঁর মতোই নিঝুম রাস্তায় বেড়িয়ে পথ কুকুরদের ভাত, বিস্কুট খাওয়ান বিনয় সরকার রোডের বাসিন্দা কলেজ পড়ুয়া প্রকাশ কেশরী। তিনি বলেন, “পেটে খাওয়ার না থাকায় কুকুরেরা হিংস হয়ে উঠছে। পথচারীদের কামড় দেওয়ার চেষ্টা করছে। রাতের বেলা বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে কুকুরদের বিস্কুট, ভাত খেতে দিচ্ছি।”  তাঁদের উদ্যোগে খুশি সারমেয় প্রেমীরা।

সেবক দেবশর্মা
First published: March 25, 2020, 8:50 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर