কেরল থেকে ফিরেছে! কালনায় পুলিশ ডেকে ৩ যুবককে হাসপাতালে পাঠাল গ্রামবাসী

কেরল থেকে ফিরেছে! কালনায় পুলিশ ডেকে ৩ যুবককে হাসপাতালে পাঠাল গ্রামবাসী
এই সেই গ্রাম

বাসিন্দাদের দাবি, বাড়ি ফেরত তিন যুবক শরীরে করোনা ভাইরাস আছে। তাই গ্রাম ছেড়ে তাদের চলে যেতে হবে চিকিৎসা কেন্দ্রে।

  • Share this:

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ভিন রাজ্য থেকে ফেরা তিন যুবককে হাসপাতালে যেতে বাধ্য করল গ্রামবাসীরা। কেরল থেকে ওই যুবকরা ফিরছে শুনেই একজোট হয় গ্রামবাসীরা। তাঁরা সাফ জানিয়ে দেন, গ্রামে থাকতে গেলে লাগবে চিকিৎসকের ছাড়পত্র। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ওই তিন যুবককে উদ্ধার করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে।

করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক এখন সর্বত্র। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বাসিন্দারা যে বেশ সচেতন তা টের পাওয়া গেল পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার বেলকুলি নতুনপাড়া গ্রামে। বেঙ্গালুরু ও কেরলে কাজ করতে গিয়েছিল  কালনার বেলকুলি নতুন পাড়া গ্রামের রাজা বিশ্বাস, দীপঙ্কর রায় ও রাজু শাহ এই তিন যুবক। করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে তারা সেখানে কাজ ছেড়ে  ৯ দিন আগেই বাড়ি ফিরেছিল। আজ অর্থাত্‍ বুধবার গ্রামের লোকজন তাদের বাড়িতে চড়াও হয়।

বাসিন্দাদের দাবি,  বাড়ি  ফেরত তিন যুবক শরীরে করোনা ভাইরাস আছে। তাই গ্রাম ছেড়ে তাদের চলে যেতে হবে চিকিৎসা কেন্দ্রে। কালনা থানায় ফোনও করে তারা। এই খবর পেয়ে কালনা থানার পুলিশ এলাকায় যায়। ঝুঁকি না নিয়ে পুলিশ ওই তিন যুবককে উদ্ধার করে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করে। ওই  তিন যুবককে হাসপাতালের  অবজারভেশন ওয়ার্ডে পাঠানো হবে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই তিন যুবকের দেহে করোনা আক্রান্তের তেমন উপসর্গ মেলেনি। তবে তাদের নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু কালনা নয়, জেলার সর্বত্রই বাইরে থেকে আসা বাসিন্দাদের সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে। বর্ধমানের ইছলাবাদ অ্যাথেলেটিক ক্লাব সংলগ্ন এলাকার এক যুবক বাইরের রাজ্য থেকে ফিরেছিলেন। এলাকার বাসিন্দাদের চাপে তিনি এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন। খন্ডঘোষের এক ব্যক্তিকেও বাসিন্দারা চাপ দিয়ে বর্ধমান মেডিকেলে পাঠায়। জেলা প্রশাসনের বক্তব্য, অযথা আতংকিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বাসিন্দাদের। করোনা আক্রান্ত এলাকা থেকে এলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে কিছুদিন আলাদা থাকাই ভালো। তাতে নিজের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে  ও আশপাশ এলাকা করোনা সংক্রমণ এড়ানো সম্ভব হবে।

First published: March 18, 2020, 4:51 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर