শেষ দুই দফা হোক একসঙ্গে, কমিশনকে প্রস্তাব দুই বিশেষ পর্যবেক্ষকের! দাবি সূত্রের

শেষ দুই দফা হোক একসঙ্গে, কমিশনকে প্রস্তাব দুই বিশেষ পর্যবেক্ষকের! দাবি সূত্রের

প্রতীকী ছবি৷

  • Share this:

    #কলকাতা: রাজ্যের শেষ দুই দফার নির্বাচন (West Bengal Election 2021) একসঙ্গে করার জন্য দাবি জানিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)৷ করোনার (Coronavirus in Bengal) বাড়বাড়ন্তের জেরে এবার সেই একই প্রস্তাব কমিশনকে দিলেন রাজ্যের নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে এবং অজয় নায়েক৷ নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে যে হারে করোনার দাপট বাড়ছে, তার উল্লেখ করেই এই প্রস্তাব দিয়েছেন দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক৷

    জানা গিয়েছে, কমিশনকে দুই পর্যবেক্ষকই বলেছেন, রাজ্যে ভোট সামলানোর দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশনের অন্তত ২৫ জন আধিকারিক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন৷ ইতিমধ্যেই সামশেরগঞ্জ এবং জঙ্গীপুর কেন্দ্রের দুই প্রার্থী করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন৷ ফলে ওই দুই কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ পিছিয়ে দিতে হয়েছে৷ এ ছাড়াও, একাধিক কেন্দ্রের প্রার্থী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন৷ এই অবস্থায় শেষ দুই দফার ভোট একদিনে করার জন্যই কমিশনকে পরামর্শ দিয়েছেন দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক৷ শুধু তাই নয়, দু' জনেই দাবি করেছেন, করোনা অতিমারির মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা করতেই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন তাঁরা৷ এই যুক্তি দেখিয়ে অতিরিক্ত বাহিনীর পক্ষেও সওয়াল করেছেন বিবেক দুবে এবং অজয় নায়েক৷

    রাজ্যে পঞ্চম দফার নির্বাচনের আগেই কলকাতায় সর্বদলীয় বৈঠক করেছিল নির্বাচন কমিশন৷ সেই বৈঠকেও শেষ তিন দফার ভোট একসঙ্গে করার পক্ষে দাবি উঠেছিল৷ যদিও কমিশন সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়ে শেষ তিন পর্বে প্রচারের সময়সীমা কমিয়ে দিয়েছিল৷ কিন্তু তার পরেও করোনার বাড়বাড়ন্ত কমেনি রাজ্যে৷ তৃণমূলের তরফে ফের কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে, যাতে শেষ দুই দফার নির্বাচন একসঙ্গে করায় হয়৷ আবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী গতকাল, সোমবার কমিশনকে চিঠি দিয়ে দাবি করেছেন, যাতে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর বাকি ভোটগ্রহণ হয়৷

    কমিশনের তরফে দুই দফার ভোটগ্রহণ একসঙ্গে না করার পক্ষে সরকারি ভাবে এখনও কোনও কারণ দেখানো হয়নি৷ তবে কমিশন সূত্রের খবর, শেষ তিন দফার ভোট একসঙ্গে করার মতো কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবস্থা করা কঠিন ছিল কমিশনের পক্ষে৷ শেষ দু' দফা একসঙ্গে করানো নিয়ে অবশ্য কমিশনের অবস্থান এখনও জানা যায়নি৷ তবে একবার বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর ভোট গ্রহণের দিন এগিয়ে আনা সম্ভব কি না, সেই প্রশ্নও থাকছে৷

    আগামী ২২ এপ্রিল রাজ্যে ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ৷ সপ্তম এবং অষ্টম দফার ভোটগ্রহণ যথাক্রমে ২৬ এবং ২৯ এপ্রিল৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: