corona virus btn
corona virus btn
Loading

হাত খরচের টাকা বাঁচিয়েই পুলিশকর্মীদের পাশে দুই গৃহবধূ, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য

হাত খরচের টাকা বাঁচিয়েই পুলিশকর্মীদের পাশে দুই গৃহবধূ, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য
তুলে দেওয়া হচ্ছে ত্রাণসামগ্রী৷

শুধু পুলিশকর্মীদেরই নয়, রিকশা চালকদের হাতেও তুলে দেওয়া হয় খাদ্য সামগ্রী।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: ওঁরাও প্রথম সারির যোদ্ধা। মারণ করোনার বিরুদ্ধে লড়ছেন সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে। প্রথম দিন থেকেই রাস্তায় ওঁরা। ওঁরা মানে পুলিশকর্মীরা। একদিকে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মীরা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন অনবরত। শিলিগুড়ির দুই কোভিড স্পেশাল তো বটেই, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মীদের স্যালুট জানিয়েছেন ওঁরা। কুর্ণিশ জানিয়েছেন যে সমস্ত স্বাস্থ্য কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েও পরবর্তীতে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন। এমনকি আবারও কাজেও ফিরে এসেছেন। শুধু স্বাস্থ্যকর্মীরাই নন, প্রথমসারির যোদ্ধা পুলিশ কর্মীরাও।

লকডাউনের প্রথম দিন থেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পথে ওঁরা। আইন শৃঙখলা নিয়ন্ত্রণ, ট্র‍্যাফিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পরিযায়ী শ্রমিকদের স্টেশন থেকে বাসে তোলা, বাড়ি পৌঁছে দেওয়া। আবার করোনা আক্রান্তদের বাড়ি থেকে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া, সবেতেই সামনের সারিতে পুলিশ কর্মীরা। আজ শিলিগুড়ির পুলিশকর্মীদের পাশে দাঁড়ালেন 'একটি প্রয়াস' নামে শহরের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের দুই সদস্যা। পুলিশকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে আজ হাসমি চকে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় গ্লাভস, জলের বোতল, গ্লুকোজের প্যাকেট। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পুলিশকর্মীদের  আরও অনুপ্রাণিত করতেই এই উদ্যোগ বলে জানান সংগঠনের সদস্যা তনিমা ঘোষ। তিনি জানান, সাধ্যমতো চেষ্টা করা হয়েছে। আগামী দিনেও করা হবে।

শুধু পুলিশকর্মীদেরই নয়, রিকশা চালকদের হাতেও তুলে দেওয়া হয় খাদ্য সামগ্রী। দুই সদস্যা তাঁদের হাত খরচের টাকা জমিয়ে কেনেন রেশন সামগ্রী। চাল, ডাল, সোয়াবিন, তেল সম্বলিত প্যাকেট তুলে দেওয়া হয় রিকশা চালকদের হাতে। লকডাউনের সময়েও একইভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আজ এই বস্তিতে, তো কাল অন্য এক বস্তিতে পৌঁছে গিয়েছিলেন নকশালবাড়ির ভারত-নেপাল সীমান্ত ঘেঁষা ধীমাল জন বস্তিতে। লকডাউনের জেরে যাঁরা আজ কর্মহীন। তাঁদের মুখেও হাসি ফুটিয়েছেন। শিশুদের জন্য তুলে দিয়েছেন বেবি ফুডও।

Partha Pratim Sarkar

Published by: Debamoy Ghosh
First published: June 17, 2020, 10:48 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर