• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • মাকে শেষ শ্রদ্ধা, শেষকৃত্যে না গিয়ে অভুক্তকে খাওয়াচ্ছেন এই যুবক

মাকে শেষ শ্রদ্ধা, শেষকৃত্যে না গিয়ে অভুক্তকে খাওয়াচ্ছেন এই যুবক

এই অভুক্ত মানুষগুলিরই ত্রাতা হয়ে উঠেছেন শহিকুল। ছবি: রয়টার্স

এই অভুক্ত মানুষগুলিরই ত্রাতা হয়ে উঠেছেন শহিকুল। ছবি: রয়টার্স

অভুক্ত মায়েরা আশীর্বাদ করে শহিকুলকে বলছেন , এমন সন্তান যেন ঘরে ঘরে জন্মায়। শহিকুলের চোখের জল মিলিয়ে যাচ্ছে হাওয়ায়।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: শেষবার তিনি মাকে দেখেছিলেন সেই ডিসেম্বর মাসে। বিহারের সমস্তিপুর থেকে দিল্লিতে এসেছিলেন চিকিৎসার জন্যে এসেছিলেন। শুক্রবার মায়ের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে শাহিকুল উর রহমান পেয়ে কেব ল একটাই কথা বলে চলেছেন, শেষ দেখাটাই হল না। শেষ দেখা করতেও চান না শহিকুল। লকডাউনের দিনে দিল্লিতে মানুষ যাতে অভুক্ত না থাকে তা নিশ্চিত করতে দিন রাত ঘুরছেন তিনি। তাঁর মতে, মায়ের জন্যেই এ কাজ করছেন তিনি।

    শুক্রবার শহিকুলের মায়ের মৃত্যুর খবরটা জানাজানি হতেই শহিকুলের বন্ধুরা তাঁকে অনুরোধ করে বাড়ি গিয়ে মায়ের শেষকৃত্যে যোগ দিতে। কিন্তু ৪০ বছর বয়সি এই ব্যবসায়ীর দাবি, "আমাকে এখন দিল্লির দরকারপ। আমি চাই না খাবার না পেয়ে কারও মা মারা যাক।" প্রতিদিনের মতোই তাই আশ্রমচক অঞ্চলে গরীব মানুষের মধ্যে খাবারের প্যাকেট বিলি করতে দেখা গেল তাঁকে। কে বুঝবে শুকিয়ে গিয়েছে চোখের জল!

    শহিকুলের বন্ধু সমাজকর্মী মহম্মদের কথায়, আমরা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওঁর বাড়ি যাওয়াটা নিশ্চিত করতে চেয়েছিলাম। কিন্তুও ও বলছে, আমার এখন দিল্লিতে থাকাই শ্রেয়। বহু মানুষকে দুবেলা খাবার দিতে পরূ আমি। আর সেটাই হবে মাকে শ্রদ্ধা জানানোর শ্রেষ্ঠ উপায়। নাই বা হল শেষ দেখা।

    শহিকুল ও তাঁর বন্ধুরা মিলে প্রতিদিন অন্তত ৮০০ জনকে প্রতিদিন খাবার দিচ্ছেন। নিজেদের ফোন নম্বর বিলিয়ে দিচ্ছেন সর্বত্র। কেউ ফোন করলেই খাবারে প্যাকেট পৌঁছে যাচ্ছে হাতের কাছে। অভুক্ত মায়েরা আশীর্বাদ করে শহিকুলকে বলছেন , এমন সন্তান যেন ঘরে ঘরে জন্মায়। শহিকুলের চোখের জল মিলিয়ে যাচ্ছে হাওয়ায়।

    Published by:Arka Deb
    First published: