করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা সচেতনতার প্রচারে নামতে প্রস্তুত পর্যটন ব্যবসায়ীরা, স্বাস্থ্য দফতরের সবুজ সঙ্কেতের অপেক্ষা

করোনা সচেতনতার প্রচারে নামতে প্রস্তুত পর্যটন ব্যবসায়ীরা, স্বাস্থ্য দফতরের সবুজ সঙ্কেতের অপেক্ষা
ফাইল ছবি

শনিবার করোনার উত্তরবঙ্গের ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্তা সুশান্ত রায়ের কাছে ৯ দফা দাবি জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে পর্যটন ব্যবসায়ীদের সংগঠন।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আগামী দিনে কোথায় গিয়ে থামবে? উত্তর অধরা। তাই করোনা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে হবে।

উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল ছাড়াও দু'টি কোভিড স্পেশ্যাল  হাসপাতাল রয়েছে শিলিগুড়িতে। সেখানেই চলছে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা। কিছু বেসরকারী হাসপাতালেও কিছু সংখ্যক আক্রান্তের চিকিৎসা চলছে। তবুও বেড অপ্রতুল। তাই আরও অন্তত ২০০ বেড তৈরী করতে হবে শিলিগুড়িতে। এমনই দাবি হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্কের।

শনিবার করোনার মোকাবিলায় উত্তরবঙ্গের ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্তা সুশান্ত রায়ের কাছে ৯ দফা দাবি জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে পর্যটন ব্যবসায়ীদের এই সংগঠন। তাঁদের সেই দাবিপোটরে রয়েছে, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে লালারসের নমুনা সংগ্রহে গতি বাড়াতে আরও বেশী 'ট্রু নাট' যন্ত্রাংশ বসানো প্রয়োজন। অস্থায়ীভাবে টেকনিশিয়ান নিয়োগ করতে হবে। কোভিডের চিকিৎসায় আরও বেশী সংখ্যক 'সেফ হাউস' তৈরীর প্রস্তাবও দিয়েছেন তাঁরা। সংগঠনের দাবি, টেকনিশিয়ানের অভাবে প্লাজমা থেরাপি শুরু করা যায়নি শিলিগুড়িতে। এক করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে প্লাজমা দেওয়ার জন্যে তৈরী হলেও তা শেষ পর্যন্ত সংগ্রহ করা যায়নি।

করোনা মোকাবিলায় পুরসভা এবং গ্রামীন এলাকায় সচেতনতা বাড়াতে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের দাবিও করেছেন সংগঠনের সদস্যরা। তাঁদের প্রস্তাব, স্বাস্থ্য দফতর চাইলে পর্যটন ব্যবসায়ীরাও হাতে হাত মিলিয়ে সচেতনতা প্রচারে এগিয়ে আসবে। সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর তন্ময় গোস্বামী এ প্রসঙ্গে বলেন, "শিলিগুড়িতে আক্রান্তের গ্রাফ নামছে না। বরং প্রতিদিনই সংক্রমিতের সংখ্যা বাড়ছে। ফলে  বেডের সংখ্যা বাড়ানো আবশ্যিক। তা না হলে আগামী দিনে অনেকেই চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হবেন।"

তিনি আরও জানান, শিলিগুড়ি পুরসভা আক্রান্তদের বাড়িতে খাবার, রেশন সামগ্রী-সহ প্রয়োজনীয় জিনিস পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। জেলার সর্বত্রই এই সুবিধে চালু করার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য দফতর এগিয়ে এলে একটি মডেল তৈরী হবে। সেক্ষেত্রেও পর্যটন ব্যবসায়ীদের সংগঠনের কিছু সদস্য স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকায় কাজে যোগ দিতে আগ্রহী বলেই জানান হয়েছে।

এ দিন সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ফোন নম্বরের তালিকা সরকারীভাবে প্রকাশ করতে হবে। তাতে অনেকেই উপকৃত হবে। সেইসঙ্গে শিলিগুড়ির চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ বাইরে রোগী দেখছেন না বলে অভিযোগ জানানো হয়েছে।

Partha Sarkar

Published by: Shubhagata Dey
First published: July 18, 2020, 8:53 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर