করোনা ভাইরাস

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

পুজোর মুখে উত্তরে উঁকি মারছে পর্যটন শিল্প! হোম স্টেগুলিতে নজর বেশি পর্যটকদের

পুজোর মুখে উত্তরে উঁকি মারছে পর্যটন শিল্প! হোম স্টেগুলিতে নজর বেশি পর্যটকদের

শৈলশহর দার্জিলিংয়েও হোটেলে বুকিং আসছে। ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক হলে বুকিংয়ের সংখ্যাও বাড়বে বলে আশায় হোটেল মালিকেরা।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: করোনা এবং লকডাউনে সব থেকে বড় প্রভাব পড়েছে উত্তরের পর্যটন শিল্পে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের। আনলক ফোর চলছে। আসছে আনলক ফাইভ। নিউ নর্মালে মাথা তুলে দাঁড়াতে চায় পর্যটন শিল্প। সামনেই পুজো। তবে এখোনও আশানুরূপ বুকিং হয়নি। মোবাইলের রিং বাজছে পর্যটন ব্যবসায়ী থেকে হোটেল মালিকদের। এটাই এখন বাড়তি অক্সিজেন। পর্যটন ব্যবসায়ীদের সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন গড়ে ২১ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে এই শিল্পের। তা ট্যুর অপারেটার্স থেকে ট্র‍্যাভেল এজেন্ট, টিকিট, হোটেল ভাড়া, হোম স্টে মিলিয়ে। এত বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে এর আগে কখোনই পড়তে হয়নি এই শিল্পের সঙ্গে যুক্তদের।

পাহাড়ে পৃথক রাজ্যের আন্দোলনকে ঘিরে টানা ১০০ দিনের বেশি বনধ দেখেছে তারা। তবে ৬ মাসের বেশি সময় পরও স্বাভাবিক হয়নি পর্যটন। যার সঙ্গে জড়িত হাজার হাজার পরিবার। অনেকেই আবার পেশাও বদলে ফেলেছেন।

তবে নিউ নর্মালে ডুয়ার্স থেকে পাহাড়, তরাইয়ে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন পর্যটকেরা। পাহাড়েও কলকাতা সহ ভিন রাজ্যের পর্যটকেরা আসতে শুরু করেছেন। খোঁজ চলছে বর্তমান পরিস্থিতির। এই অবস্থায় পুজোকে সামনে রেখে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া পর্যটন ব্যবসায়ীরা। পর্যটন দফতরের পূর্বাঞ্চলের অধিকর্তা সাগ্নিক চৌধুরীর দাবী, ভ্রমনপিপাসুরা আর ঘরে বসে থাকতে চাইছেন না। তাঁর আশা, ২০২১-এর ৬ মাসের মধ্যে পর্যটন শিল্প আপন মহিমায় ফিরবে। বিশাল অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির বিষয়ে একাধীক প্রস্তাব তাদের কাছে এসছে। এনিয়ে কেন্দ্রের অর্থ সহ একাধিক মন্ত্রকে আলোচনাও চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি। দ্রুত এবিষয়ে ফলপ্রসূ সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসবে।

গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে গ্রামীণ পর্যটনকে। এক্ষেত্রে এগিয়ে হোম স্টেগুলো। পুজোর আগে হোটেলের চাইতে হোম স্টে'তে বুকিংয়ের সংখ্যা বেশি বলে জানা গিয়েছে। কালিম্পংয়ের দিকে হোম স্টে'র ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন গ্রামের বাসিন্দারা। বহিরাগতদের গ্রামে ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে একাধিক গ্রামের প্রতিনিধিদের সঙ্গে জট কাটিয়ে তুলতে মরিয়া হোম স্টে কর্তারা। তাদের আশা, অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে।

শৈলশহর দার্জিলিংয়েও হোটেলে বুকিং আসছে। ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক হলে বুকিংয়ের সংখ্যাও বাড়বে বলে আশায় হোটেল মালিকেরা। নিউ নর্মালে দেশের মধ্যেই পর্যটনকেন্দ্রগুলোকেই বাড়তি গুরুত্ব দিতে চাইছেন তারা। এখন প্রয়োজন রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে পর্যটন নিয়ে বোঝাপড়া গড়ে ওঠা। সিকিমও খুলছে অক্টোবরে। একেবারে কোভিড প্রোটোকল মেনে পর্যটকদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত পাহাড়, তরাই, ডুয়ার্স!

Published by: Pooja Basu
First published: September 28, 2020, 11:42 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर