Tamil Nadu Lockdown : মাত্রা ছাড়াচ্ছে করোনা, শপথ নিয়েই রাজ্যে সম্পূর্ণ লকডাউনের সিদ্ধান্ত স্ট্যালিনের!

কেরল কর্ণাটকের পর লকডাউনে তামিলনাড়ুর

শুক্রবার তামিলনাড়ুতে (Tamil Nadu) একদিনে আক্রান্ত (Covid-19) হয়েছে ২৬ হাজার ৪৬৫ জন ৷ মৃত্যু হয়েছে ১৯৭ জনের ৷ এরপরেই লকডাউনের (lockdown) সিদ্ধান্তের ঘোষণা করেছে সরকার।

  • Share this:

    #চেন্নাই: মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন শুক্রবার। আর শনিবারই প্রথম বড় সিদ্ধান্তের ঘোষণা করলেন এম কে স্ট্যালিন (M K Stalin) ৷ কেরল, কর্ণাটকের পথেই হাঁটলো তামিলনাড়ু(Tamil Nadu)। শনিবার দুই সপ্তাহের জন্য সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করল তামিলনাড়ু সরকার ৷ ১০ মে অর্থাৎ সোমবার থেকে লকডাউন(Total Lockdown) কার্যকর হবে রাজ্যে৷ শুক্রবার রেকর্ড সংক্রমণ হওয়ার পরই লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয় তামিলনাড়ু সরকার৷

    একটি বিবৃতিতে মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্তালিন জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি জেলা কালেক্টরদের সঙ্গে একটি বৈঠকে পর্যালোচনা করে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৷ ১০ মে ভোর ৪টে থেকে ২৪ মে ভোর ৪টে পর্যন্ত লকডাউন কার্যকর থাকবে৷ দক্ষিণের রাজ্যগুলির মধ্যে কেরালা ও কর্নাটকের পর এবার তামিলনাড়ুতে সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে ৷

    শুক্রবার তামিলনাড়ুতে একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ২৬ হাজার ৪৬৫ জন ৷ মৃত্যু হয়েছে ১৯৭ জনের ৷ এরপরেই লকডাউনের সিদ্ধান্তের ঘোষণা করেছে সরকার। যদিও মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন তাঁর বিবৃতিতে বলেছেন "অনিবার্য পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।" লকডাউনের বিধি অনুযায়ী এই দুই সপ্তাহ কোনও গাড়ি-রিক্সা-অটো রিকশা চলবে না রাস্তায়। রেস্তোরাঁও বন্ধ থাকবে এই দুই সপ্তাহ। যদিও খাওয়ার ডেলিভারির সুযোগ খোলা রাখা হচ্ছে। ব্যাঙ্কগুলিকে ৫০ শতাংশ কর্মচারী নিয়ে খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খোলা থাকবে রেশন দোকানগুলিও।

    এদিকে দেশে ওঠানামা করছে করোনার গ্রাফ। কখনও একটু স্বস্তি তো পর মুহূর্তেই অস্বস্তি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ইতিমধ্যেই বেসামাল দেশের বিভিন্ন রাজ্য। যা নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনের উদ্বেগ বাড়ছে। সপ্তাহের শুরুতে ২ দিন কিছুটা হলেও কমেছিল দৈনিক সংক্রমণ, তারপর ফের একবার ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ। দেশের দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ফের একবার ৪ লক্ষ ছাড়াল৷ এই নিয়ে পরপর ৩ দিন৷ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লক্ষ ১ হাজার ৭৮ জন। এই বৃদ্ধির জেরে করোনায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৮ লক্ষ ৯২ হাজার ৬৭৬ জন। পরিস্থিতি ক্রমশই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে ৷ বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় দ্বিতীয় স্থানে ভারত। প্রথম স্থানে রয়েছে আমেরিকা।

    গত বছরের তুলনায় এ বছর আরও ভয়ঙ্কর রুপ নিয়েছে করোনা। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেশের দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাকেও বাড়িয়ে দিয়েছে। যা ভারতে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪,১৮৭ জনের। যা এখনো পর্যন্ত রেকর্ড। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ২৬৬ জনের। তবে স্বস্তির খবর, দেশে কোভিড আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১,৭৯,১৭,০৮৫ জন। সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ লক্ষ ২১ হাজার ৮৮২ জন। দেশে সুস্থতার হার ৮১.৯ শতাংশ। আর এখনও পর্যন্ত টিকাকারণ হয়েছে ১৬ কোটি ৭৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৪৪ জনের।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: