করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনায় মৃত তৃণমূল বিধায়ক সমরেশ দাস, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

করোনায় মৃত তৃণমূল বিধায়ক সমরেশ দাস, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর
প্রয়াত তৃণমূল বিধায়ক সমরেশ দাস৷

বিধায়কের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। তিনি দলের জেলা সভাপতি বর্ষীয়ান সাংসদ শিশির অধিকারীকে সাত সকালেই ফোন করেন।

  • Share this:

#এগরা: করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল আরও এক তৃণমূল বিধায়কের৷ সোমবার ভোরে সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় এগরার তৃণমূল বিধায়ক সমরেশ দাসের (৭৮)৷ গত ১৮ জুলাই করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছিল তাঁর৷ তমোনাশ পর রাজ্যের দ্বিতীয় বিধায়ক হিসেবে করোনায় মৃত্যু হল সমরেশবাবুর৷ দলের প্রবীণ বিধায়কের মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর প্রথমে মেচগ্রামের বড়মা কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সমরেশবাবুকে৷ সেখান থেকে তাঁকে আনা হয় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে৷ শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে সল্টলেকের ওই বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়৷ এ দিন ভোর ৪.১৫ মিনিটে সেখানেই জীবনাবসান হয় তাঁর৷ তিন বার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন সমরেশবাবু৷

সমরেশ দাসের মৃত্যুতে ট্যুইটারে শোকজ্ঞাপন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, 'পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত বিধায়ক শ্রী সমরেশ দাসের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর প্রয়াণে রাজনৈতিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হল। তাঁর নিকটাত্মীয় ও অনুরাগীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাই।'

বাম মনোভাবাপন্ন হিসেবেই রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকে দীর্ঘ দিন জেলায় পরিচিত ছিলেন সমরেশবাবু৷ বাম নেতা ও মন্ত্রী সাংসদদের সঙ্গেই রাজনৈতিক উত্থান হয় তাঁর। তিনি প্রবোধ সিনহা, প্রবোধ পান্ডা, কিরণময় নন্দ সহ আরও বামফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন৷ ১৯৯৪-৯৫ সালে বামফ্রন্টের সমবায় আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। ২০০০ সালে সিপিআইএম-এর সদস্য পদ গ্রহণ করেন। দীর্ঘদিন ধরেই বাম মনোভাব নিয়েই চলেছিলেন এগরার এই ভূমিপুত্র। ২০০৯ সালে তৎকালীন এগরার বিধায়ক শিশির অধিকারী কাঁথির সাংসদ হওয়ার পর তাঁর উদ্যোগেই তৃণমূলে যোগদান করেন এবং বিধানসভা উপনির্বাচনে জয়ী হন সমরেশবাবু। সেই যাত্রা শুরু ঘাসফুল পরিবারের সঙ্গে।গত ১১ বছর তিনবার বিধায়ক নির্বাচিত হন তিনি। সমরেশবাবুর মৃত্যুতে এগরাবাসীর অনেকেরই তাই চোখে জল৷

কাঁথির সাংসদ ও জেলা তৃণমূলের সভাপতি এবং চেয়ারম্যান শিশির অধিকারী বলেন, 'আমার বন্ধু বলুন বা ভাই, সবই ছিল সমরেশ। সুখে দুঃখে আমরা পাশেই ছিলাম। এই পরিস্থিতিতে বলার কিছু নেই। করোনা আমার পরম আপনজনকে কেড়ে নিলষ আজ মনটা খুবই ভারাক্রান্ত হয়ে আছে। পরিবারের পাশে সব সময় ছিলাম, আছি ও থাকব৷' এগরার বিধায়ক সমরেশ দাসের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। শুভেন্দুবাবু বলেন, 'একজন গুণী মানুষকে হারালাম আমরা।' এগরার তৃনমুল

বিধায়কের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। তিনি দলের জেলা সভাপতি বর্ষীয়ান সাংসদ শিশির অধিকারীকে সাত সকালেই ফোন করেন। সদ্যপ্রয়াত বিধায়কের প্রতি শোকজ্ঞাপনের পাশাপাশি মমতা বন্দোপাধ্যায় ফোন করে শিশির অধিকারীকে সাবধানে থাকার পরামর্শ দেন। করোনার এই কঠিন সময়ে বর্ষীয়ান শিশিরবাবুকে বাইরে বেরিয়ে কোনও কর্মসূচিতে যোগ দিতে নিষেধ করেছেন দলনেত্রী৷

Sujit Bhowmik

Published by: Debamoy Ghosh
First published: August 17, 2020, 2:09 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर