• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • নিরাপত্তারক্ষীরা করোনা পজিটিভ, হোম কোয়ারেন্টাইনে তিন বিধায়ক !

নিরাপত্তারক্ষীরা করোনা পজিটিভ, হোম কোয়ারেন্টাইনে তিন বিধায়ক !

Representational Image

Representational Image

পূর্ব বর্ধমান জেলার কয়েকজন বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষীরা সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

  • Share this:

#বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলায় ডাক্তারদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে করোনা পজিটিভ হচ্ছেন পুলিশ কর্মী অফিসাররা। এই জেলার কয়েকজন বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষীরাও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তার ফলে ওই বিধায়কদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে কয়েকজন চিকিৎসক এখন করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দুই হাসপাতালের বেশ কয়েক জন চিকিৎসক নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মী হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বিধায়ক সুভাষ মণ্ডলের নিরাপত্তারক্ষী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মেমারির বিধায়ক নার্গিস বেগমের এক নিরাপত্তারক্ষীরও করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। একই ভাবে রায়নার বিধায়ক নেপাল ঘড়ুইয়ের নিরাপত্তারক্ষীও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা পজিটিভ হয়েছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি দেবু টুডু নিরাপত্তারক্ষীও। তাদের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসার পরই ওই তিন বিধায়ক ও জেলা পরিষদের-সহ সভাধিপতিকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি দেবু টুডু বলেন,নিরাপত্তারক্ষীরা সবসময় আমার সঙ্গে থাকেন।তাদের একজনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। তাই আমিও করোনা পরীক্ষার জন্য লালারসের নমুনা জমা দেব। একইভাবে অন্য তিন বিধায়কও করোনা পরীক্ষা করাবেন বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর মিলেছে। এর আগে বর্ধমান জেলা পুলিশের দুই পদস্থ আধিকারিক করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁরা এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জেলার একাধিক থানার ওসিও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বর্ধমান মহিলা থানার চার কর্মী অফিসার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে জেলা পুলিশ মহলে। অন্যদিকে সোমবার থেকে জেলার সরকারি কর্মচারীদের করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।

সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই জেলায় সরকারি অফিসগুলোতে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। জেলাশাসকের অফিসে বাইরের কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। আধিকারিকরাও নিজেদের মধ্যে শুধুমাত্র ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করছেন। অনেক আধিকারিকই নিয়মিত এখন অফিসে আসছেন না। এদিন জেলাশাসক তাঁর অফিসে এলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরে যান। পূর্ব  বর্ধমান জেলা পরিষদে এখন দুটি গেটের বদলে একটি গেট খোলা থাকছে। সেখানেও গেটের মুখে কড়া নজরদারি রয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কাউকেই এখন জেলা পরিষদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

Saradindu Ghosh

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: