corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির উপায় এই আয়ুর্বেদিক জরি বুটি, দাবি ট্যাক্সি চালকের !

করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির উপায় এই আয়ুর্বেদিক জরি বুটি, দাবি ট্যাক্সি চালকের !

বেলেঘাটার এক মুদি দোকানি ও ট‍্যাক্সিচালক আইডি হাসপাতালের সামনেই রীতিমত দোকান লাগিয়ে বসলেন করোনা মুক্তির ওষুধ বিক্রিতে।

  • Share this:

#কলকাতা: বিশ্বজুড়ে যখন করোনা মুক্তির উপায় খুঁজছে বিজ্ঞানীরা, তখন বেলেঘাটার এক মুদি দোকানি ও ট‍্যাক্সিচালক আইডি হাসপাতালের সামনেই রীতিমত দোকান লাগিয়ে বসলেন করোনা মুক্তির ওষুধ বিক্রিতে। অরুণ কুমার সাউ, বেলেঘাটা সুভাষ সরোবর এর পাশেই তার মুদি দোকান, সঙ্গে আবার ট্যাক্সিও চালান তিনি।

বিশ্বজুড়ে করোনা আতঙ্কের জন্য তার ঘুম উবে গেছে। তিনি এবং তার স্ত্রী দু’জনেই গত বেশ কিছুদিন ধরে করোনা মুক্তির উপায় খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন। সেই মতই নিজের দোকান থেকেই বিভিন্ন উপকরণ, লবঙ্গ,জায়ফল, জয়িত্রি,তুলসিপাতা, বড় এলাচ,ছোট এলাচ সব মিশিয়ে মিশ্রণ বানিয়ে শরীর ঠান্ডা রাখার ওষুধ তৈরি করেন। শুধু তাই নয়,রীতিমত দাবি করছেন যে, এই মিশ্রণ খেলেই নাকি একদম করোনা পগার পার, মানে করোনা মুক্তি।

শুক্রবার সকাল থেকেই বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের সামনে যখন মানুষের ভিড়,বিদেশ থেকে আসা প্রচুর মানুষ করোনা পরীক্ষার জন্য হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে লাইনে দাঁড়িয়েছে। তখন অরুণ কুমার সাউ টেবিল পেতে আইডি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে বসে পড়েন। টেবিলের ওপরে তার ওষুধের সামগ্রী। অনেক উৎসাহী মানুষও চলে আসে তার সামনে। বিশ্বাস অবিশ্বাসের দ্বন্দ্বে ভুগতে থাকা আতঙ্কগ্রস্থ মানুষরা ভিড় জমান ওর সামনে। অরুণ কুমার সাউ ১০০% নিশ্চিত, তার ওষুধে করোনা মুক্তি হবেই।

করোনা ভাইরাস জব্দ হবে তার ওষুধ খেলে। সকালে একবার চেষ্টা করেছিলেন জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের বোঝানোর যে, আইডি হাসপাতালে যারা আক্রান্ত সন্দেহে ভর্তি আছে, তাদেরকে যেন তার তৈরি করা ওষুধ খাওয়ানো হয়। তবে হাসপাতালের চিকিৎসকরা কাজের চাপে তাকে এক প্রকার গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন। কেউই বুঝতে চাইলো না, অরুণবাবুর তৈরি করা ওষুধের গুনাগুন এর বিচার করতে। একপ্রকার বাধ্য হয়েই শেষমেষ গেটের সামনে অরুণ কুমার সাউ তার করোনা মুক্তির ওষুধের পসরা সাজিয়ে বসলেন। কিন্তু সেখানেও শান্তি নেই। সবেমাত্র যখন তার বিক্রিবাটা একটু জমে উঠেছে, তখন আবির্ভাব ঘটল পুলিশের। অনুমতি ছাড়া কিভাবে এ ধরনের ওষুধ বিক্রি করছে, সেই অভিযোগে পুলিশ তাকে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। ফলে করোনা মুক্তি আর হয়ে উঠলো না কারোর।

অরুন কুমার সাউ-এর যুক্তি, করোনা মুক্তির জন্য ওষুধ বিক্রি নয়, বরং মানুষের সেবা করার জন্য তার এই মহান প্রচেষ্টা। অরুণ কুমার সাউ সাফাই দিলেও কে শোনে কার কথা! বিশ্বজুড়ে যখন তাবড় তাবড় বিজ্ঞানীরা হিমশিম খাচ্ছেন করোনা ভাইরাস মুক্তির উপায় বাতলাতে, তখন সামান্য মুদি দোকানি ও ট্যাক্সি চালক অরুণ কুমার সাউ করোনা মুক্তির দাওয়াই  দিতে এসেছিলেন। তবে তার এই জনহিতকর কাজের দাম দিল না কেউ।

Abhijit Chanda

First published: March 21, 2020, 8:45 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर