corona virus btn
corona virus btn
Loading

গরিব পেটগুলিকে রাখতে হবে তো, ৭৫ দিন ধরে পথে ওঁরা

গরিব পেটগুলিকে রাখতে হবে তো, ৭৫ দিন ধরে পথে ওঁরা
পথে নেমে কাজ করছেন ওঁরা।

আজ রান্না করা হয় ৩৬০ জনের। মটন আর ভাত। পরে তা প্যাকেট করে বিলি করা হয়। পাশাপাশি হ্যাণ্ড স্যানিটাইজার, মাস্কও তুলে দেন কর্তব্যরত আশিঘর ফাঁড়ির পুলিশ কর্মীদের হাতে।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: লকডাউনের প্রথম দিন থেকেই ওঁরা পথে। শহর ঘেঁষা এলাকার দুঃস্থ, অসহায়দের মুখে তুলে দেন রান্না করা খাবার। নিজেদের উদ্যোগেই তৈরি করেছেন কমিউনিটি কিচেন। শহর লাগোয়া ইস্টার্ণ বাইপাসের একাধিক দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারীদের কাছে পৌঁছে যান নিয়ম করে। ওঁরা মানে সোম দাস, অমর সাহা, বাদল সাহা, অজয় সরকার, নিখিল সরকারেরা। ওঁরা মিলেই তৈরি করেছেন আমরা ক'জন নামক সংস্থা। টানা ৭৫ দিন ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তাতেই নিরলস সেবা করে যাচ্ছেন ওঢ় ওঁরা।

আজ শান্তিনগর তো কাল ডাবগ্রাম। পরশু দেবীনগর, তো পরদিন আবার হাতিয়াডাঙা। সকাল হতেই ব্যাগ হাতে বাজারে বেড়িয়ে পড়েন সোম দাস, বাদল সাহা, নিখিল সরকারেরা। বাজার শেষে ফিরে এসে লেগে পড়েন রান্নায়। এক একদিন একেক রকম মেনু তৈরি হয়। কোনও দিন ডাল, ভাত, সবজি আর মাছের ঝোল। কোনও দিন পাতে থারে আবার ডিমের ঝোল। ছিল চিকেনও। আর আজ ৭৫তম দিনে ছিল মাংস, ভাত।

যে  এলাকাগুলিতে এই দলটি কাজ করছেন সেখানকার  লোকেরা কেউ দিনমজুর, কেউ পরিচারিকার কাজ করেন। লকডাউনের জেরে কাজ নেই। ফলে হাতে টাকাও নেই। এই অসহায় মানুষদের পাশে প্রথম দিন থেকেই রয়েছেন আমরা ক'জন সংস্থার এই সদস্যরা। রীতিমতো পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রেখেই চলে রান্না করা খাবার বিলি। প্রতিদিনই ২০০ থেকে ২৫০ জনের হাতে তুলে দেয় রকমারি খাবারের প্যাকেট।

আজ রান্না করা হয়েছিল মোট ৩৬০ জনের জন্য। মটন আর ভাত। পরে তা প্যাকেট করে বিলি করা হয়। পাশাপাশি হ্যাণ্ড স্যানিটাইজার, মাস্কও তুলে দেন কর্তব্যরত আশিঘর ফাঁড়ির পুলিশ কর্মীদের হাতে। সংগঠনের সদস্য সোম দাস জানান, "প্রথম দিন থেকেই সাধ্যমতো আমরা চেষ্টা করে এসছি। শুরুর দিকে খাবার বিলি করতে গিয়ে ওদের অসহায় মুখগুলো চোখে ভেসে আসছিল। আর তাই সরে আসিনি। কমিউনিটি কিচেন তৈরি করে টানা ৭৫ দিন রান্না করা খাবার তুলে দেওয়া হয়েছে। লকডাউনে টানা পরিষেবা পেয়ে খুশি এলাকার বাসিন্দারা।"

Published by: Arka Deb
First published: June 6, 2020, 11:36 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर