• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • করোনা যুদ্ধে দেশের মডেল এই চার বড় শহর, বাকিরা কেন পারবে না?

করোনা যুদ্ধে দেশের মডেল এই চার বড় শহর, বাকিরা কেন পারবে না?

প্রতীকী চিত্র ।

প্রতীকী চিত্র ।

দেশের অনেক পুরসভাই মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়া, অত্যাধিক সংক্রমণের হার, জাতীয় গড়ের থেকে বেশি হারে সংক্রমণ- এরকম বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: করোনার থাবা এড়িয়ে কীভাবে জনজীবন স্বাভাবিক করা যায়, সেই পথ খুঁজে বের করতে গিয়ে রীতিমতো কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে দেশের বড় শহরগুলি৷ এই পরিস্থিতিতে দেশের চারটি শহর করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বাকিদের কাছে মডেল হতেই পারে৷ এই চারটি শহর হলো জয়পুর, ইনদওর, চেন্নাই এবং বেঙ্গালুরু৷

    সরকারি সূত্রের খবর, গত কয়েকদিনে দেশের বিভিন্ন বড় পৌরসংস্থাগুলির মধ্যে বৈঠকের আয়োজন করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার৷ কীভাবে বেশি সংখ্যায় করোনা রোগীর চাপ সামাল দেওয়া যায় এবং মৃত্যুর হার কম রাখা যায়, তা নিয়েই নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছে পুরসভাগুলি৷

    সেখানেই দেখা গিয়েছে, জয়পুর এবং ইনদওর বিপুল সংখ্যক করোনা রোগীর চাপ সামলাতে বেশ কিছু উদ্ভাবনী উপায় বের করেছে৷ একইভাবে চেন্নাই এবং বেঙ্গালুরু, এই দুই বড় শহর মৃত্যুর হার কমাতে সফল হয়েছে৷

    দেশের অনেক পুরসভাই মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়া, অত্যাধিক সংক্রমণের হার, জাতীয় গড়ের থেকে বেশি হারে সংক্রমণ- এরকম বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে৷ কন্টেইনমেন্ট জোনের উপর নজর রাখা, বাফার জোন চিহ্নিত করা, বাড়ি বাড়ি গিয়ে নজরদারি আরও দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিতে গিয়েও সমস্যায় পড়ছে বহু পুরসভা৷ বিশেষত পুরসভা এলাকাগুলির মধ্যে থাকা বস্তি এবং ঘন জনবসতির এলাকাগুলিতে এই চ্যালেঞ্জ আরও বেশি৷

    রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ দুই রাজ্যেই করোনা সংক্রমণ যথেষ্ট ব্যাপক ভাবেই ছড়িয়েছে৷ এই দুই রাজ্যের প্রধান দুই শহর জয়পুর এবং ইনদওরের পুরসভা কর্তৃপক্ষ নতুন সংক্রমণ রুখতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নজরদারি বাড়ানোর উপরে জোর দিয়েছে৷ ইনদওর পুরসভা যেমন অলি- গলিতে গিয়ে নজরদারির জন্য বিশেষ দল গঠন করেছে৷ আবার জয়পুর পুরসভা সবজি সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের বিক্রেতাদের এক জায়গায় বেশি সংখ্যায় জড়ো হতে দিচ্ছে না৷ দুধের ডিপো বা মুদিখানার দোকানগুলিতে যেহেতু ভিড় বেশি হয়, তাই সেখানে পুরকর্মী এবং পুলিশ কড়া নজরদারি রাখছে যাতে সামাজিক দূরত্ব সহ সতর্কতা বিধিগুলি মেনে চলা হয়৷

    ভারতে জাতীয় মৃত্যুর হার যেখানে গড়ে ৩ শতাংশ, সেখানে চেন্নাই এবং বেঙ্গালুরুতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট বেশি হলেও মৃত্যুর হার ১ শতাংশের আশপাশে বেঁধে রাখা গিয়েছে৷ এক সরকারি শীর্ষ কর্তা জানালেন, দক্ষিণের এই দুই বড় শহরকে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা যায়৷ তিনি জানিয়েছেন, 'চেন্নাই এবং বেঙ্গালুরু ভেন্টিলেটরের ব্যবহার অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছিল৷ একই সঙ্গে রোগীদের চিকিৎসা করতে গিয়েও অনেক বেশি তৎপরতা দেখিয়েছে এই দুই শহর৷'

    ওই সরকারি কর্তার দাবি, বহু শহরই ভেন্টিলেটর ব্যবহারের ক্ষেত্রে পারদর্শীতা দেখাতে পারেনি৷ সেখানে তামিলনাড়ু এবং কর্ণাটকের মতো দুই রাজ্যে ছবিটা সম্পূর্ণ উল্টো৷

    মুম্বইতে করোনা পরিস্থিতি দেশের মধ্যে সবথেকে খারাপ হলেও এই বৈঠকে বৃহন মুম্বই পুরসভার ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে৷ কারণ বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে যুক্ত করে শহরের করোনা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে সেখানকার পুর কর্তৃপক্ষ৷ পাশাপাশি কোন হাসপাতালে বেড রয়েছে, সাধারণ মানুষকে সহজেই সেই তথ্য জানানোর জন্য একটি পোর্টাল তৈরিরও চেষ্টা করছে বৃহন মুম্বই পুরসভা৷ অ্যাম্বুল্যান্স খুঁজতে সাহায্য করতে জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করার পরিকল্পনাও নিয়েছে তারা৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: