জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের লাইন!‌ শিকেয় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং

জনসাধারণই সচেতন নয়, তাই হাজার নিয়ম করেও কী করে লাভ হবে?‌ পরিস্থিতি দেখে অনেকেই একথা বলছেন।

জনসাধারণই সচেতন নয়, তাই হাজার নিয়ম করেও কী করে লাভ হবে?‌ পরিস্থিতি দেখে অনেকেই একথা বলছেন।

  • Share this:

#‌জঙ্গিপুর:‌ ভিন রাজ্যে কর্মরত শ্রমিকরা স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভিড় করছেন জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে। লাইন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে রোজ। সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স না মেনে হাসপাতালের সামনে লাইন করে দাঁড়াচ্ছেন শ্রমিকরা। যা দেখে আতঙ্কিত হাসপাতালে কর্মী থেকে চিকিৎসকরাও। মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে হাসপাতাল লাগোয়া ওষুধের দোকানগুলিতেও দেখা গেল ‌এই চিত্র। যেখানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বারবার বলে আসছেন, দূরত্ব বজায় রাখুন, মাস্ক ব্যবহার করুন। সেখানে জনসাধারণ কি সচেতন?‌ প্রশ্ন উঠছে এই পরিস্থিতেই। হাসপাতাল ছাড়াও রঘুনাথগঞ্জের বেশিরভাগ ওষুধের দোকানেও দেখা গিয়েছে ভিড়। সেখানে কেউ মাস্ক পরেছেন, কেউ মাস্ক পরেননি। কেউ আবার দূরত্ব বজায় না রেখে কেনাকাটা করছেন। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত দু’‌দিন আগে প্রত্যেকটি দোকানে চুন দিয়ে দূরত্বের জন্য দাগকাটা হয়েছিল। তবে তাতে আখেরে লাভ হয়নি মোটে।

জনসাধারণই সচেতন নয়, তাই হাজার নিয়ম করেও কী করে লাভ হবে?‌ পরিস্থিতি দেখে অনেকেই একথা বলছেন। অন্যদিকে জঙ্গিপুর হাসপাতালে ভিন রাজ্য থেকে আসা লোকের ভিড় কাতারে কাতারে বাড়ছে। সেখানে চিত্রটাও কিন্তু একই। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার সচেতনতা মূলক বার্তা দিয়েও কোন লাভ হয়নি। নিয়ম ভেঙেই মানুষের ঢল নেমেছে চিকিৎসা করার জন্য। তাছাড়াও সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কেরল থেকেও অনেক লোক স্থানীয় এলাকায় ফিরেছেন, যাঁরা এসেছেন চিকিৎসার জন্য।

তাই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে একটি প্রশ্ন এখানে বারবার উঠে আসছেই, এদের মধ্যেই যদি কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকে, তাহলে তো এই মহামারী মারণ রূপ ধারণ করবে!‌ কিন্তু কে শুনবে কার কথা। জঙ্গিপুর হাসপাতালের চিকিৎসক বিমান দাস বললেন, ‘‌ভিন রাজ্য থেকে যেসব শ্রমিকরা আসছেন, তাঁদের মধ্যে সচেতনতার বড়ই অভাব। কোন নিয়মে মানছেন না তাঁরা। ওই পরিবেশের মধ্যেই আমাদেরকে চিকিৎসা করতে হচ্ছে।’‌

Pranab Kumar Banerjee

Published by:Uddalak Bhattacharya
First published: