করোনার থাবায় বন্ধ হতে পারে পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত ! আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা ! দুশ্চিন্তায় সীমান্তবাসীরা !

করোনার থাবায় বন্ধ হতে পারে পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত ! আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা ! দুশ্চিন্তায় সীমান্তবাসীরা !

ইন্দো-নেপাল সীমান্ত সিল করা হলে বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়বে পানিট্যাঙ্কি সহ শিলিগুড়ির ব্যবসা।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: ইন্দো-নেপাল সীমান্ত সিল করা হলে বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়বে পানিট্যাঙ্কি সহ শিলিগুড়ির ব্যবসা। পূর্ব নেপালের একটা বড় অংশ প্রতিদিনই সীমান্ত পেরিয়ে আসে শিলিগুড়িতে। পানিট্যাঙ্কি সীমান্তের ব্যাবসা বাণিজ্যও নির্ভরশীল নেপালের একটা অংশের ওপর। ১৯৫০ সালের ভারত-নেপাল সীমান্তের সুরৌলি চুক্তি অনুযায়ী দু'দেশের সীমান্ত পারাপারের জন্য কোনো পাসপোর্ট বা ভিসার প্রয়োজন হয় না। অনায়াসেই দু'দেশের বাসিন্দারা এপার-ওপার যাতায়াত করতে পারে। এমনকী এক দেশের বাসিন্দা অন্য দেশে বসবাসও করতে পারবে। শুধু ভোটাধিকার থাকবে না। আর তাই ব্যবসা বাণিজ্যের জন্যে অবাধেই সীমান্ত পারাপার চলে।

প্রতিদিন প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ সীমান্ত দিয়ে যাতায়াত করে। পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত থেকে শিলিগুড়ির মধ্যে প্রত্যহ প্রায় তিনশ গাড়ি চলাচল করে। সীমান্তেই কয়েক লাখ টাকার ব্যবসা হয় প্রতিদিন। আর করোনার জেরে পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত সিল করা হলে বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে দু'দেশের ব্যবসায়ীদের। তাই সীমান্ত সিল করা হতে পারে এমন খবর চাউর হতেই দুশ্চিন্তায় দু'দেশের স্থানীয় বাসিন্দা থেকে ব্যবসায়ীরা। কেননা নেপালের একটা বড় অংশ চিকিৎসা পরিষেবার জন্য শিলিগুড়ির ওপর নির্ভরশীল। আবার চোখের চিকিৎসার জন্যে নেপালের কাঁকড়ভিটার ওপর অনেকটা নির্ভরশীল শিলিগুড়ি, অসমের বাসিন্দারা। সীমান্ত সিল করা হলে দূর্ভোগ বাড়বে। আর তাই ইমারজেন্সী পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার আর্জি নেপালের বাসিন্দাদের। নেপালের বাসিন্দা গোপাল প্রসাদ সিদগেল জানান, সীমান্ত বন্ধ হলে খুবই সমস্যা বাড়বে। বিশেষ করে জরুরী পরিষেবার ক্ষেত্রে। এই বিষয়ে সরকারের নজর দিতে হবে। নেপালের টোটো চালিকা সুরি শ্রেষ্ঠা জানান, এপার থেকে ওপারে যাত্রী নিয়ে যাওয়াই তাঁর একমাত্র পেশা। টোটো চালিয়ে যা আয় হয় তা দিয়েই সংসার চলে। সীমান্ত বন্ধ হলে রুটি রুজিতে টান পড়বে। পানিট্যাঙ্কি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক দীপক চক্রবর্তী জানান, বড় আর্থিক সংকটের সৃষ্টি হবে। তবে করোনা যেভাবে ছড়াচ্ছে তাতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়াটাও অত্যন্ত জরুরী। অন্যদিকে পানিট্যাঙ্কি কাস্টমসের সুপারিন্টেন্ডেন্ট রিমা মঙ্গর জানান, সীমান্ত বন্ধের এখোনো কোনো খবর আসেনি। কেন্দ্র থেকে নির্দেশ এলে সীমান্ত বন্ধ করা হবে। সবমিলিয়ে করোনার থাবায় ঘুম ছুটেছে ইন্দো-নেপাল সীমান্তের বাসিন্দাদের।

PARTHA PRATIM SARKAR

First published: March 13, 2020, 11:42 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर