corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে অনাহারে থাকা নাট্যকর্মীর বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলো সরকার ! 

লকডাউনে অনাহারে থাকা নাট্যকর্মীর বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলো সরকার ! 

নিউজ ১৮ বাংলার খবরের জের, বাগনানের নাট্যকর্মীর পাশে সরকার ।

  • Share this:

#বাগনান: নিউজ ১৮ বাংলার খবরের জের,বাগনানের নাট্যকর্মীর পাশে সরকার । খবর প্রকাশের পরই মাত্র ছয় ঘন্টার মধ্যেই অনাহারে থাকা নাট্য কর্মীর বাড়িতে পৌছালো সরকারি প্রতিনিধিরা । করোনার করাল গ্রাসে বর্ণহীন ‘বিশ্ব নাট্য দিবস'। নিঃশব্দে পেরিয়ে গেল নাট্য আন্দোলনের এই বিশেষ দিনটি।করোনার প্রভাবে গোটা দেশে জুড়ে লকডাউনের জেরে অন্ধকার ঘনিয়েছে নাটকের মঞ্চে, একইরকম ভাবে অন্ধকার নেমেছে নাটকের সেট তৈরির সাথে যুক্ত  মানুষদের জীবনেও । গ্রামীন হাওড়ার বাগনান-১ ব্লকের চন্দ্রপুর পূর্ব পাড়ার মনীন্দ্র বেরা দীর্ঘ কয়েকদশক ধরে পশ্চিমবাংলার নাট্যকর্মী হিসাবে পরিচিত এই মানুষটি ও তার পরিবার  লকডাউনের জেরে কয়েকদিন আধপেটা খেয়ে দিনগুজরান করছিলেন ।দীর্ঘদিন ধরে নাটককে ভালোবেসে তিলোত্তমার বিভিন্ন নাট্যদলে সেট তৈরির কাজ করে পেট চলে ষাটোর্ধ্ব এই প্রবীণের।

করোনার জেরে বেশ কিছুদিন ধরে কোলকাতার রঙ্গমঞ্চগুলিতে থিয়েটারের কাজ নেই । হাতে নেই নগদ অর্থ।বাড়িতেও মজুদ নেই খাদ্য। সংসার জুড়ে অভাব আর হাহাকার।আজ সকালেই এই খবর তুলে ধরেছিল নিউজ ১৮ বাংলা। তারপরই আজ বিকালে বাগনান-১ ব্লক ডেভলপমেন্টের প্রতিনিধিরা মনীন্দ্র বাবুর বাড়িতে গিয়ে তাঁর হাতে তুলে দেন চাল,ডাল,আলু,পেঁয়াজ,বিস্কুট,মুড়ি সহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে যতদিন লক ডাউন চলবে এই পরিবারের কাছে পৌঁছে যাবে খাদ্য সামগ্রী । প্রশাসনের সাহায্য পেয়ে অভিনয় না জানা ব্যক্তির চোখের কোণ চিকচিক করে ওঠে । হাসি ফোটে গৃহকর্ত্রীর মুখে । আবেগতাড়িত কন্ঠে মনিন্দ্র বাবু বলে উঠলেন, প্রতিবছর বিশ্ব নাট্য দিবস উপলক্ষে অনেক কাজ হয় শহরজুড়ে, সেদিন খাওয়ার না জুটলেও বাড়ি ফিরে পরেরদিন বেশ মজা করে গোটা পরিবারেরকে নিয়ে একসাথে পাত পেরে খেতে বসতাম যেমন আজ বসবো । চোখের জল মুছতে মুছতে নিউস ১৮ বাংলাকে ধন্যবাদ জানিতে ভোলেননি মনিন্দ্র বাবু । একই সাথে সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করতে ভোলেননি গোটা পরিবার । প্রশাসনের আধিকারিকরা জানান গ্রামের প্রতিকনে তাদের পক্ষে নজরদারি অসম্ভব তাই এই ধরণের প্রতিবেদন তাদের কাজকে অনেক সাহায্য করবে ।

DEBASHISH CHAKRABORTY

First published: March 28, 2020, 10:31 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर