corona virus btn
corona virus btn
Loading

মুম্বই থেকে ফিরে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে অসুস্থ কিশোর, হাসপাতালেই মৃত্যু, উঠছে তদন্তের উপযুক্ত দাবি

মুম্বই থেকে ফিরে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে অসুস্থ কিশোর, হাসপাতালেই মৃত্যু, উঠছে তদন্তের উপযুক্ত দাবি

ঘরের ছেলের মৃ্ত্যুতে শোকের ছায়া হরিশ্চন্দ্রপুরে

  • Share this:

#মালদহ: মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকা পরিযায়ী কিশোরের আচমকা অসুস্থ হয়ে মৃত্যু। ১৬ বছরের  ওই কিশোর গত রবিবার মুম্বই থেকে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে মালদহে আসে। এরপর তাকে রাখা হয়েছিল হরিশ্চন্দ্রপুর বারদুয়ারী হাইস্কুলে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়ে ওই কিশোর।

প্রথমে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় মশালদহ হাসপাতালে। এরপর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে স্থানান্তরিত করা হয় মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সোমবার সন্ধে নাগাদ মৃত্যু হয় ওই কিশোরের। মৃত কিশোর মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর সুলতান নগর এলাকার মনোহর পুরের বাসিন্দা।

আত্মীয়দের অভিযোগ, লকডাউন এরপর দীর্ঘদিন ধরে অর্ধাহারে ছিল ওই কিশোর। এমনকি শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে মালদহে ফেরার পথেও ট্রেনে ঠিকমতো খাবার পাইনি বলে দাবি আত্মীয়দের। গত ছয় মাস আগে অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের ওই কিশোর মুম্বাইয়ে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে যায়।

সেখানে পাইপ লাইনের কাজের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন । তাঁর বাবাও ভিন রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিক। সাংসারিক অভাব-অনটনের জন্যই অল্প বয়সে ভিন  রাজ্যে পাড়ি দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন আত্মীয়রা। ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অত্যন্ত দরিদ্র ওই পরিবারকে সরকারি সাহায্য দেওয়ার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও আত্মীয়রা। আপাতত মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য রাখা হয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ।  ওই কিশোরের লালারসের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট খতিয়ে দেখা হবে। তবে ঠিক কী কারণে মৃত্যুর ঘটনা হয়েছে তা এখনও নিশ্চিত নয়।

ময়না তদন্তের পর এই বিষয়ে জানা যাবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। মালদহ জেলা পরিষদের শিশু-নারী ও ত্রাণ বিভাগের কর্মধক্ষ মর্জিনা খাতুন বলেন, এই ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও মর্মান্তিক। আমরা তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে ওই কিশোর যদি সঠিক খাবার না পেয়ে থাকে তাও অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। ওই কিশোরের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ প্রকাশ্যে আসা প্রয়োজন।

Sebak DebSarma

Published by: Arjun Neogi
First published: June 2, 2020, 3:11 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर