Home /News /coronavirus-latest-news /
কোভিড ১৯-এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, কাজে মনোযোগ কমছে কর্মীদের, বলছে গবেষণা!

কোভিড ১৯-এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, কাজে মনোযোগ কমছে কর্মীদের, বলছে গবেষণা!

শরীর দুর্বল লাগা, ক্লান্ত লাগা - প্রোটিন শরীরে এনার্জি দেয়। তাতে কাজ করতে ইচ্ছে করে। অ্য়াক্টিভ থাকা যায়। যদি শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি থাকে তা হলে সারা দিন ক্লান্ত লাগতে পারে। ঘুম-ঘুম ভাব থাকতে পারে। সাধারণত যেমন ক্লান্ত লাগে, তার থেকে বেশিই ক্লান্তি আসতে পারে।

শরীর দুর্বল লাগা, ক্লান্ত লাগা - প্রোটিন শরীরে এনার্জি দেয়। তাতে কাজ করতে ইচ্ছে করে। অ্য়াক্টিভ থাকা যায়। যদি শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি থাকে তা হলে সারা দিন ক্লান্ত লাগতে পারে। ঘুম-ঘুম ভাব থাকতে পারে। সাধারণত যেমন ক্লান্ত লাগে, তার থেকে বেশিই ক্লান্তি আসতে পারে।

সম্প্রতি এক গবেষণায় এই জরুরি তথ্য উঠে এসেছে। অবশ্য এই গবেষণা আরও বলছে যে যদি আপনার কোম্পানি ভালো হয় বা বস প্রকৃত সহৃদয় হন, তা হলে তিনি আপনাকে এই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে এবং কাজে মন দিতে সাহায্য করবেন।

  • Share this:

#কলকাতা: কোভিড ১৯ যে মানুষকে ভাবাচ্ছে, এই নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। যাঁরা এখনও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হননি, তাঁরা ভাবছেন- এ বার আমার পালা নয় তো? ভাইরাস নিয়ে এ রকম নানা দুশ্চিন্তায় এতটাই মানসিক চাপ বেড়ে যাচ্ছে অনেকের যে তাঁরা কাজে মন দিতে পারছেন না। সম্প্রতি এক গবেষণায় এই জরুরি তথ্য উঠে এসেছে। অবশ্য এই গবেষণা আরও বলছে যে যদি আপনার কোম্পানি ভালো হয় বা বস প্রকৃত সহৃদয় হন, তা হলে তিনি আপনাকে এই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে এবং কাজে মন দিতে সাহায্য করবেন।

এই গবেষণার মূল কাণ্ডারি হলেন জিয়া (জেসমিন) হু। জিয়া এই মুহূর্তে ওহায়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশার কলেজ অব বিজনেসের মানবসম্পদ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। তিনি বলেছেন, কোভিড আমাদের মানসিক অবস্থা এমন করেছে যে আমরা এখন শুধু নিজের মৃত্যু নিয়েই ভাবছি। এতে কাজের ক্ষতি হচ্ছে। কারণ কাজে একদম মন বসানো যাচ্ছে না। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে এই সার্ভে করা হয়েছে আমেরিকা ও চিনে।

গবেষকরা এই ফলাফলে পৌঁছনোর পথে তিনটি আলাদা সার্ভে করেন। প্রথম সার্ভে হয় চিনের একটি প্রযুক্তি কোম্পানিতে। সেখানে ১৬৩জন কর্মচারীকে নানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আর সেটাও করা হয় এমন সময় যখন দেশে করোনা পরিস্থিতি তুঙ্গে। যাতে তাঁদের অস্থিরতা আরও বেশি করে প্রকট হয়, তাই এমন সময় বেছে নেওয়া!

পরে আমেরিকাতেও একই রকমের একটি সার্ভে করা হয়। এ ক্ষেত্রে কর্মচারীদের কাছ থেকে শুধু করোনা সংক্রমণ নিয়ে তাঁদের চিন্তা ও অস্থিরতার কথা জানতে চাওয়া হয়নি। জানতে চাওয়া হয়েছে যে কোম্পানিতে তাঁরা কাজ করেন সেটা কেমন বা যে বসের অধীনে তাঁরা কাজ করেন তিনি কী রকম! সেই জন্য এক থেকে সাতের মধ্যে একটি নম্বর দিতেও বলা হয় তাঁদের।

চিন ও আমেরিকার সার্ভের ফলাফল মোটামুটি একই এসেছে। দুই দেশেই এটা প্রমাণিত হয়েছে যে যাঁরা কোভিড-১৯ নিয়ে বেশি পড়াশোনা করেন, তাঁদের মানসিক চাপ অনেক বেশি। যে সব কর্মচারীরা তাঁদের বসকে অনেক বেশি নম্বর দিয়েছেন, তাঁদের কিন্তু মানসিক চাপ অনেক কম দেখা গিয়েছে। কারণ সে ক্ষেত্রে তাঁদের বস বিভিন্ন গঠনমূলক বা জনকল্যাণমূলক কাজে কর্মচারীদের নিযুক্ত করে বাড়তি চাপ কমাতে সাহায্য করেছেন। আর যাঁদের বস ভালো নন? বস খারাপ হলে পরিস্থিতি ঠিক কেমন হয়, তা কি আর আপনি জানেন না?

Published by:Siddhartha Sarkar
First published:

Tags: Coronavirus

পরবর্তী খবর