corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা আক্রান্ত হয়ে ইন্দওরে মৃত ১৬, কবরস্থানে দেহ গেল ১২০টি!

করোনা আক্রান্ত হয়ে ইন্দওরে মৃত ১৬, কবরস্থানে দেহ গেল ১২০টি!
photo source collected

আশঙ্কার কথা হল, কবরস্থানগুলি যে এলাকায় অবস্থিত, সেই এলাকাগুলিকে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে৷

  • Share this:

#ইন্দওর: গোটা মধ্যপ্রদেশ জুড়েই করোনা ভাইরাস সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে৷ শুধুমাত্র ইন্দওরেই এখনও পর্যন্ত ১৬জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে৷ তাঁদের মধ্যে ১৪ জনই মুসলিম৷ কিন্তু এরই মধ্যে অন্য একটি তথ্যে ইন্দওরবাসীর আতঙ্ক আরও বেড়েছে৷ গত আট দিনে ইন্দওরের কবরস্থানগুলিতে প্রতিদিন অন্তত কুড়িটি করে দেহ সমাহিত করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ সবমিলিয়ে শেষ আট দিনে মোট ১২০টি মরদেহ কবরস্থানগুলিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷

স্থানীয় প্রশাসনের মতে, কবরস্থানগুলিতে আচমকা মৃতদেহ আসার সংখ্যা একধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে৷ যার ফলে প্রশাসনও উদ্বিগ্ন৷ রাজ্যে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সময় এত মানুষের মৃত্যুর কারণ নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে৷

স্থানীয় প্রশাসনও বিষয়টি খতিয়ে দেখছে৷ প্রশাসনের অবশ্য দাবি, মৃতদের করোনার কোনও উপসর্গ ছিল না বলেই প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে৷ তা সত্ত্বেও বিষয়টি হাল্কাভাবে না নিয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে৷ যদি দেখা যায় যে মৃতদের সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে, তাহলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন৷

ইন্দওরের কালেক্টর মনীষ সিং জানিয়েছেন, তাঁরা গত পাঁচ বছরের পরিসংখ্যান খতিয়ে দেখবেন যে সত্যিই গত কয়েকদিনে কবরস্থানগুলিতে মৃতদেহ আসার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে কিনা৷

তবে আশঙ্কার কথা হল, কবরস্থানগুলি যে এলাকায় অবস্থিত, সেই এলাকাগুলিকে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে৷ ওই এলাকাগুলিতে আচমকা মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ার পর চন্দননগর, লুনিয়াপাড়া, সিরপুরের মতো বেশ কয়েকটি কবরস্থানের রেজিস্টার চেয়ে পাঠিয়েছে স্থানীয় পুরসভা কর্তৃপক্ষ৷ তাদের অবশ্য দাবি, মৃতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার দাবি সঠিক নয়৷

তবে কবরস্থানের কর্মীরা কিন্তু স্বীকার করছেন, গত কয়েকদিনে সত্যিই মৃতদেহ আসার সংখ্যা অনেকটা বেড়ে গিয়েছে৷ নাকা কবরস্থানের এক কর্মী জানিয়েছেন, বুধবারইতিন মৃতদেহ সমাহিত করেছেন তিনি৷ খজনরানা কবরস্থানের এক কর্মী জানিয়েছেন, তাঁদের কবরস্থানেও মৃতদেহ আসার সংখ্যা বেড়েছে৷ সেই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য তিনি পুরসভায় পাঠিয়ে দিয়েছেন৷

 
Published by: Debamoy Ghosh
First published: April 8, 2020, 5:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर