করোনা রোগীর চিকিৎসা করতে পারবেন না আয়ুর্বেদিক ডাক্তাররা, রায় সুপ্রিম কোর্টের

সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে, আয়ুর্বেদিক এবং হোমিওপ্যাথির চিকিৎসকরা করোনার মতো মারণ রোগের চিকিৎসা করতে পারবেন না।

সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে, আয়ুর্বেদিক এবং হোমিওপ্যাথির চিকিৎসকরা করোনার মতো মারণ রোগের চিকিৎসা করতে পারবেন না।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: করোনার চিকিৎসা করতে পারবেন না আয়ুর্বেদিক এবং হোমিওপ্যাথ চিকিৎসকরা, রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট । এর আগে, কেরলের হাইকোর্ট থেকেও একই রায় দেওয়া হয়েছিল। আজ, মঙ্গলবার দেশের শীর্ষ আদালত করোনা চিকিৎসা নিয়ে সেই একই রায় বহাল রাখে ।

    প্রসঙ্গত, দেশে এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের শিকার হয়েছেন ৯৯ লক্ষ মানুষ। প্রাণ হারিয়েছেন  ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭০৯ জন । তবে ধীরে ধীরে দেশে সংক্রমণের হার উল্ল্যেখযোগ্য হারে কমছে । কমেছে মৃত্যুর সংখ্যাও । এমতাবস্থায় দেশের করোনা রোগীদের জন্য চিকিৎসার ক্ষেত্র বেঁধে দিল সর্বোচ্চ আদালত । কেরল হাইকোর্টের রায়ে কোনও বদল না এনে এ দিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, করোনা রোগীদের প্রেসক্রিপশন লেখা এবং চিকিৎসা করতে পারবেন না আয়ুষ ডাক্তারদের ।

    স্বাস্থ্য দফতর থেকে আগেই বলা হয়েছিল যে, আয়ুষ এবং হোমিওপ্যাথির ডাক্তারেরা, চিকিৎসা হিসেবে নয়, বরং শুধুই কোভিড-১৯ এর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে সরকার দ্বারা অনুমোদিত ট্যাবলেট গুলি প্রেসক্রাইব করতে পারবেন। গত ২১ অগাস্ট কেরল হাইকোর্টই প্রথম আয়ুষ চিকিৎসকদের এই প্রেসক্রিপশন লেখা নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করে। এরপর সুপ্রিম কোর্টে এই রায়ের বিরুদ্ধে পিটিশন জমা দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার, সুপ্রিম কোর্ট সেই আর্জি খারিজ করে দেয়। কেরল হাইকোর্টের রায়ে পরিবর্তন আনার আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন জমা দিয়েছিলেন ডঃ একেবি সদ্ভাবনা মিশন স্কুল অফ হোমিও ফার্মাসি।

    ভারতে এ পর্যন্ত করোনা সংক্রমণের খবর মিলেছে মোট ৯৯ লক্ষ। এই সংখ্যা ছাপিয়ে গিয়েছে প্রায় সব দেশকেই। গোটা বিশ্বে সংক্রমণ মোট ৭.২ কোটি, যার মধ্যে ১৬ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে অতিমারীর জেরে।কোভিডের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে অনেক আগেই। বিতর্কের সূত্রপাত হয় যখন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন কোভিড-১৯ প্রতিরোধ করার জন্য একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করেন। এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, যোগ ব্যায়াম, অশ্বগন্ধার মতো বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক জরিবুটি এবং আয়ুষ-৬৪ ওষুধ করোনার সংক্রমণ রোধ করতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে রোগীকে সুস্থও করে তুলতে পারে। তবে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে একটি কড়া চিঠি দিয়ে এই প্রটোকলের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিল।

    Published by:Antara Dey
    First published: