corona virus btn
corona virus btn
Loading

কলকাতার রাস্তায় চলবে সাইকেল! সাইকেল-বে তৈরির রূপরেখা, ভাবনা সরকারের

কলকাতার রাস্তায় চলবে সাইকেল! সাইকেল-বে তৈরির রূপরেখা, ভাবনা সরকারের
Representative Image

জে এন এন ইউ আর এম প্রকল্পে ২০১৩ সালে বি আর টি এস বা বাস রাপিড ট্রানজিট সিস্টেমের জন্যে প্রথম সাইকেল লেনের ভাবনা চিন্তা শুরু হয়।

  • Share this:

#কলকাতা: কলকাতা সহ সল্টলেক, নিউটাউনে সাইকেল লেন তৈরির জন্যে আরও এক ধাপ এগোল রাজ্য সরকার। নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তারা এক বেসরকারি সংস্থা দিয়ে সাইকেল লেন বানানোর জন্যে রূপরেখা বানাবে। সেই রিপোর্ট বা ডি পি আর হাতে পেলে কোথায় কীভাবে সাইকেল লেন কাজ শুরু করতে পারা যাবে তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জে এন এন ইউ আর এম প্রকল্পে ২০১৩ সালে বি আর টি এস বা বাস রাপিড ট্রানজিট সিস্টেমের জন্যে প্রথম সাইকেল লেনের ভাবনা চিন্তা শুরু হয়। তাতে উল্লেখ ছিল ই এম বাইপাসের দীর্ঘ ২৫ কিলোমিটার রাস্তা চার লেনের বাস, ট্যাক্সি যাওয়ার পাশাপাশি সাইকেল নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। কথা অনুযায়ী ই এম বাইপাস জুড়ে চার লেনের বাস রাস্তার পাশাপাশি সাইকেল লেনের কাজ শুরু করতে চেয়ে রাস্তা চওড়া করা শুরু হয়।  ই এম বাইপাসের ধারে মেট্রোপলিটনের কাছে তাই রাস্তা চওড়া করার কাজ শুরুও হয়। ২০১৪ সালে কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রক বি আর টি এস প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেয়। রাজ্য সরকারও এই প্রকল্প নিয়ে নতুন করে আগ্রহ দেখায়নি। ফলে সাইকেল লেন নিয়ে কাজ আর বেশিদূর এগোয়নি।

পরবর্তী সময়ে সল্টলেক, নিউটাউনে শুরু হয় সাইকেল চলাচল। অ্যাপ বেসড সাইকেল চলতে শুরু করে। এক সংস্থা সাইকেল ভাড়া দেয়। তার জন্যে বিভিন্ন জায়গায় সাইকেল স্ট্যান্ড বানানো হয়েছিল। যদিও সাইকেল চালানোর জন্যে আলাদা করে কোনও লেন ছিল না। নিউটাউনের কিছু জায়গায় সাইকেল চালানোর মতো সুবিধা থাকলেও আলাদা করে কোনও সাইকেল লেন ছিল না। ফলে প্রধান সড়কের পাশের রাস্তা দিয়ে সাইকেলের পাশাপাশি অন্য গাড়িও চলতে শুরু করে।

দু'বছর আগে অবশ্য সেই সাইকেল বন্ধ হয়ে যায়। তবে এন কে ডি এ পরিকল্পনা করে যে তারা সাইকেল লেন চালু করবে। ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে কে এম ডি এ যা রাজ্য নগরায়ন দফতরের অন্তর্ভুক্ত তারা সাইকেল বে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়। কেমন হবে সাইকেল বে সেই উত্তর খুঁজতে এবং  সাইকেল বে নিয়ে পরামর্শ পেতে টেন্ডার ডাকে কে এম ডি এ। গত নভেম্বরে ডাকা সেই টেন্ডারে সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ৬ মাস। মূলত কলকাতা, সল্টলেক ও নিউটাউনের রাস্তায় কোথায় কোথায় সাইকেল চালানো যাবে তা নিয়ে সমীক্ষা করতে। একই সঙ্গে সাইকেল বে বানাতে গেলে কী কী ধরণের পরিকাঠামো প্রয়োজন তা স্থির করবে এই সংস্থা। তাদের রিপোর্ট হাতে পেলে তবেই কাজ শুরু করার ব্যপারে এগোবে রাজ্য নগরায়ন দফতর।।

আরও পড়ুন 'করোনা মৃতের' সরকারি হিসেব থেকে গায়েব ২০০জনের নাম! চেন্নাইয়ে শুরু নজরদারি...

এ বিষয়ে রাজ্যের নগরায়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, "কলকাতায় প্রধান রাস্তা ধরে সাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে একটা বাধা আছে। নিউটাউনে পরিকাঠামো আছে। সাইকেল লেন নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। স্টাডি রিপোর্ট হাতে এখনও পাইনি। পেলে খরচের বিষয়টি দেখে নিয়ে তবেই কাজ এগোবে।" অন্যদিকে কলকাতা সাইকেল সমাজ চাইছে কলকাতার ৬২ রাস্তা থেকে সাইকেল চালানো নিয়ে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাক। ২০০৮ সালে সাইকেলের গতির জন্য কলকাতার ৩৮ রাস্তায় সাইকেলকে নিষিদ্ধ করে। পরে ২০১৪ সালে আরও ২৪ রাস্তা নিষিদ্ধ হয়। কলকাতার বাই সাইকেল মেয়র শতঞ্জীব গুপ্ত জানান, "সাইকেল পুরো মাত্রায় চালু হলে দূষণ কমবে। প্রধান রাস্তার পাশেই সরকারি ও বেসরকারি অফিস রয়েছে। এই সমস্ত অফিসে সাইকেলের মাধ্যমে পৌঁছনোর ব্যবস্থা তো করতে হবে। পুরসভা, নগরায়ন দফতর, পুলিশ একসঙ্গে বসে এই ব্যপারে সিদ্ধান্ত নিক।" সাইকেল লেন চালু করতে পারলে বা শহরে গাড়ির তুলনায় সাইকেল বাড়লে পরিবেশ দূষণ যে অনেকটা কমবে তা নিয়ে নিশ্চিন্ত বোধ করছেন পরিবেশবিদ'রা।

Published by: Pooja Basu
First published: June 11, 2020, 10:31 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर