Coronavirus in Bengal: করোনা চিকিৎসায় বাড়ল ১৩৮৭ শয্যা, বেসরকারি হাসপাতালের বেড অধিগ্রহণ করল রাজ্য

Coronavirus in Bengal: করোনা চিকিৎসায় বাড়ল ১৩৮৭ শয্যা, বেসরকারি হাসপাতালের বেড অধিগ্রহণ করল রাজ্য

প্রতীকী ছবি৷

১৩৮৭টি বেডের মধ্যে ৯১৭টি সাধারণ, ৩৭০টি সিসিইউ, ৯০টি এইচডিইউ এবং ১০টি এনআইসিইউ বেড রয়েছে৷

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য গোটা রাজ্যে বেসরকারি হাসপাতালের ১৩৮৭টি বেড অধিগ্রহণ করল রাজ্য সরকার৷ এর মধ্যে কলকাতার একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল যেমন রয়েছে, পাশাপাশি রাজ্যে অন্যান্য জেলার একাধিক বেসরকারি হাসপাতালেরও নাম রয়েছে৷ ১৩৮৭টি বেডের মধ্যে ৯১৭টি সাধারণ, ৩৭০টি সিসিইউ, ৯০টি এইচডিইউ এবং ১০টি এনআইসিইউ বেড রয়েছে৷

যেহেতু কলকাতা এবং সংলগ্ন উত্তর চব্বিশ পরগণায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি, তাই কলকাতা এবং লাগোয়া এলাকার একাধিক বেসরকারি হাসপাতালের বেড অধিগ্রহণ করেছে সরকার৷ কলকাতার পিয়ারলেস, আর এন টেগোর, মেডিকা, ফর্টিস, সিএমআরআই, বেলভিউ, ড্যাফোডিল, কলম্বিয়া এশিয়ার মতো বিভিন্ন হাসপাতাল ও নার্সিং হোমের মোট ২৬০টি বেড অধিগ্রহণ করেছে সরকার৷ একই ভাবে উত্তর চব্বিশ পরগণার সাতটি বেসরকারি হাসপাতালের মোট ৩১১টি বেড করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য নিয়েছে সরকার৷ হাওড়ার দু'টি হাসপাতালের প্রায় ২৬০টি বেড নিয়েছে সরকার৷ পশ্চিম বর্ধমানের একটি নামী বেসরকারি হাসপাতালেরও ২০০ বেড অধিগ্রহণ করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর৷

এ ছাড়াও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণ, দার্জিলিং, মালদহ, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, উত্তর দিনাজপুরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালের বেড করোনা রোগীদের জন্য অধিগ্রহণ করেছে সরকার৷ যে জেলাগুলিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ছে, সেখানে রোগীর চাপ অনুযায়ী বেসরকারি হাসপাতালের বেড করোনা রোগীদের জন্য হাতে নিয়েছে সরকার৷

গত কয়েকদিনে রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে৷ সবথেকে খারাপ অবস্থা কলকাতা এবং উত্তর চব্বিশ পরগণার৷ কলকাতা এবং সংলগ্ন এলাকায় সরকারি, বেসরকারি হাসপাতালে বেড না পেয়ে বহু সঙ্কটজনক করোনা রোগীকে ফিরে যেতে হচ্ছে বা এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ঘুরে হয়রান হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ৷ তৈরি হচ্ছে অক্সিজেনের সংকটও৷ সেই সংকট কাটাতেই বেসরকারি হাসপাতালের বেড হাতে নিল কমিশন৷

একই সঙ্গে শিশুদের চিকিৎসার জন্য ১০টি এনআইসিইউ বেডও অধিগ্রহণ করেছে সরকার৷ কারণ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বহু শিশুও আক্রান্ত হচ্ছে৷

Avijit Chanda
Published by:Debamoy Ghosh
First published: