করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

অবশেষে চিন্তার অবসান, কোটায় আটকে পড়া উত্তর দিনাজপুরের ৭৪ জন ছাত্রকে ফেরাতে বাস পাঠাল রাজ্য

অবশেষে চিন্তার অবসান, কোটায় আটকে পড়া উত্তর দিনাজপুরের ৭৪ জন ছাত্রকে ফেরাতে বাস পাঠাল রাজ্য

দীর্ঘ উৎকন্ঠার পর রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশী উত্তর দিনাজপুর জেলার ৭৪ জন ছাত্রের পরিবার।

  • Share this:

#উত্তর দিনাজপুর:সমস্ত দুশ্চিন্তার অবসান ঘটল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদোগে আজ রাজস্থানের কোটার থেকে লকডাউনে আটকে পড়া ৭৪ জন বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছে।রাজ্য সরকার তরফ থেকে অবিভাবকদের কাছে এই কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ উৎকন্ঠার পর রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশী উত্তর দিনাজপুর জেলার ৭৪ জন ছাত্রের পরিবার।

জানা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুর জেলার ৭৪ জন ছাত্র উচ্চশিক্ষার জন্য  রাজস্থানে কোটায় গিয়েছিলেন। এদের মধ্যে কেউ ডাক্তারি কেউ আবার  ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশুনা করছে। গত ২৯ মার্চ পড়া শেষ করে তাদের বাড়িতে ফেরার কথা ছিল।কিন্তু সব উলটপালোট হয়ে গেল করোনা ভাইরাসের থাবায়।গত ২০ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন পিরিয়ড।লকডাউন পিরিয়ডে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জের উত্তর চিড়াইল পাড়ার বাসিন্দা দেবব্রত দত্তের এক মাত্র সন্তান দেবজিৎ দত্তকেও উচ্চ শিক্ষালাভের জন্য রাজস্থানের কোটায় ভর্ত্তি করেছিলেন।দেবব্রতবাবু কালিয়াগঞ্জে সারের ব্যবসা করেন। সেই আয় থেকেই ছেলেকে বড় করার স্বপ্ন দেখছিলেন।  ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা এই কোটায় উচ্চশিক্ষা লাভ করতে আসে।লকডাউনে আটকে পড়ায় প্রায় সমস্ত রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের সরকারি উদ্যোগে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ।

শিক্ষাকেন্দ্রের হোস্টেলে আটকে আছে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের ছাত্রছাত্রীরা। যাদের মধ্যে উত্তর দিনাজপুর জেলার ৭৪ জন। সরকারি উদ্যোগে আটকে পড়া ছাত্রদের ফিরিয়ে আনতে উত্তর দিনাজপুর জেলা শাসকের মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কাতর আবেদন করেছিলেন অবিভাবকরা।গত ২৭ এপ্রিল মুখ্যমন্ত্রী অভিভাবকদের আবেদন হাতে পান।আবেদনপত্র পেয়েই  কোটায় আটকে পড়া ছাত্রদের ফিরিয়ে আনার আশ্বাষ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ট্যুইট করেছিলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর এই আশ্বাসেও অবিভাবকদের দুশ্চিন্তা কাটে নি।গতকাল মোবাইলে ম্যাসেজ দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বুধবার দুপুরে রাজস্থানের কোটা থেকে বাসে করে তাদের পশ্চিমবঙ্গে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।এই খবর পেয়েই অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা অনেকটাই কেটেছে।এখন সড়ক পথে পৌছাতে যে সময় লাগবে সেই পথের দিকে চেয়ে আছেন ৭৪ জনের ছাত্রের অভিভাবকরা।

Uttam Paul

Published by: Elina Datta
First published: April 29, 2020, 9:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर