করোনার কোপ, দূরপাল্লার বাসের ছাদে ঠাসাঠাসি ভিড়

করোনার কোপ, দূরপাল্লার বাসের ছাদে ঠাসাঠাসি ভিড়

করোনা আতঙ্ক কিছুতেই কাটছে না। দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: করোনা আতঙ্ক কিছুতেই কাটছে না। দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্যেও গতকাল আরও তিন জন করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। সোমবার থেজেই লকডাউন রাজ্যজুড়ে। সন্ধ্যে থেকে রাস্তায় দেখা মিলবে না সরকারী, বেসরকারী বাস। রাস্তায় মিলবে না টোটো, সিটি অটো, রিকশা। পরিবহন ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে স্তব্ধ হয়ে পড়বে। তাই এই আতঙ্ক। শিলিগুড়িতে বহু বাইরের লোকের সমাগম হয়। বিভিন্ন জেলা থেকে রুজির টানে শিলিগুড়িতে আসেন হাজার হাজার মানুষ। এমনকী বিভিন্ন রাজ্যের বাসিন্দারাও কাজের টানে শিলিগুড়ির ওপর নির্ভরশীল। করোনা আতঙ্কে দিশেহারা সকলেই। তাই এখন বাড়ি ফেরা। সকাল থেকেই সরকারী, বেসরকারী বাস ভিড়ে ঠাসা। সিট নেই তো কি হয়েছে! গাড়ির ছাদই ভরসা! রীতিমতো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন বাস যাত্রীরা। কেউ ইসলামপুর, কেউ বুনিয়াদপুরের বাসিন্দা।

কেউ কোচবিহার, কেউ মাথাভাঙা, আবার কেউ ডুয়ার্সের বাসিন্দা। আবার অনেকেই বিহার, অসম থেকেও কাজের টানে শিলিগুড়ি থাকতেন। আজ সকাল হতেই বাস স্ট্যাণ্ডে ভিড় আর ভিড়। গাড়ির সংখ্যা কম। তাই বাঁদুর ঝোলা হয়ে একে একে ফিরছেন নিজের ঠিকানায়। স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশিকা, ৭ জনের বেশী এক জায়গায় না। বেশী সংখ্যক লোক এক জায়গায় থাকলে ছড়াতে পারে সংক্রমণ। কোথায় সেই বিধি! সব গুঁড়িয়ে ভিড়ে ঠাসা বাসে চেপে ফিরছেন নিজেদের বাড়িতে। কেন এই ঝুঁকি? প্রশ্ন করতেই ওপর প্রান্ত থেকে জবাব, সব বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

এরপর খাব কি! তাই ঝুঁকি থাকলেও উপায় নেই! বড়, ছোটো সব বাসেই গাদাগাদি! মারণ করোনায় কাবু সকলেই। এক এক করে বহু বেসরকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বন্ধ হয়ে পড়েছে বহু দোকান। রাস্তায় রিকশ, গাড়ি চলবে না। তাই কাজ থাকবে না। এজন্যই নিজের নিজের বাড়িতে ফিরে যাচ্ছেন ওরা। কেননা গৃহ বন্দী থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

First published: March 23, 2020, 6:59 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर