Home /News /coronavirus-latest-news /
একজনও খদ্দের নেই বিধান মার্কেটে, দেওয়ালে ঠেকেছে পিঠ, অন্ধকারে পথ হাতড়াচ্ছেন ওঁরা

একজনও খদ্দের নেই বিধান মার্কেটে, দেওয়ালে ঠেকেছে পিঠ, অন্ধকারে পথ হাতড়াচ্ছেন ওঁরা

এমন ছবি অতীতে কখনও দেখেনি বিধান মার্কেট।

এমন ছবি অতীতে কখনও দেখেনি বিধান মার্কেট।

কালো মাথায় গিজ গিজ করতো মার্কেট চত্বর। হেঁটে চলা ছিল মুশকিল। আজ সেই মার্কেটেই যেন গড়ের মাঠ।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: ভালো নেই বিধান মার্কেট! শিলিগুড়ির এই মার্কেটের নাম ছেলেবুড়ো সকলেই জানে। বিশেষ করে পর্যটকদের কাছে অতি পরিচিত একটি মার্কেটের নাম। লকডাউনের আগের দিনগুলোয় প্রতিদিন যেখানে ৪০ থেকে ৫০ হাজার লোকের সমাগম হত এই মার্কেটে। কালো মাথায় গিজ গিজ করতো মার্কেট চত্বর। হেঁটে চলা ছিল মুশকিল। আজ সেই মার্কেটেই যেন গড়ের মাঠ। চার চাকার গাড়ি অনায়াসে চলাচল করছে। লোক বলতে মেরেকেটে হাজার পাঁচেক।

করোনা এবং তার মোকাবিলায় লকডাউন বদলে দিয়েছে মার্কেটের চেহারা। ব্যস্ত সময়েও মার্কেট ফাঁকা। আকছার এমন দিন যাচ্ছে যেদিন কোনও বেচাকেনা পর্যন্ত হয়নি। মার্কেটের একাধিক হোটেল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। রেডিমেড পোশাক বা শাড়ির দোকানগুলিও ফাঁকা। প্রতিদিন রুটিন করে দোকান খুলছেন ব্যবসায়ীরা, কিন্তু দেখা নেই ক্রেতাদের। বাজারে এই দশায় ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত।

করোনার আগের দিনগুলিতে এই মার্কেটেই ভিড় জমাতেন নেপাল, ভুটান থেকে বহু ক্রেতা। আজ আর দেখা নেই তাঁদের। তাছাড়া পাহাড় থেকেও নেমে আসতেন বহু লোক। এমনকি সিকিমের একটা বড় অংশ কেনাকাটার উদ্দেশ্যেই ভিড় জমাতেন বিধান মার্কেটে। এখন আর পাহাড় থেকে নেমে আসছে না কেউই। ফলে বেচাকেনা কার্যত শিকেয় উঠেছে। মার্কেটের চারপাশ খাঁ খাঁ করছে। দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীদের ঘুম ছুটছে।

বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন হোক কিংবা অক্ষয় তৃতীয়ার দিন বন্ধ ছিল মার্কেট। এই অবস্থায় কর্মীদের বেতন, পুর কর দেওয়াও ব্যবসায়ীদের কাছে এখন বড় চিন্তার বিষয়।  বিদ্যুতের বিল দেওয়া নিয়েও চিন্তায় অনেকেই।

আসছে বাঙালির সেরা পার্বন দুর্গা পুজো। মার্কেটের বেচাকেনা দেখে তা বোঝার উপায় নেই! প্রতিদিন গড়ে এই মার্কেটে ন্যূনতম কেনাকেটা হত এক কোটি টাকার আশপাশে। লকডাউনের পর যা নেমে দাঁড়িয়েছে ৫ শতাংশে! পুজোর আগেও ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা নেই বললেই চলে,  দাবি ব্যবসায়ীদের।

"এই বছরটা এমনই বিষাক্ত, জানি না কবে আবার ঠাঁই পাব," বলছিলেন বিধাননগর ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক বাপি সাহা। তাঁর সাফ দাবি, ভালো নেই বিধানমার্কেট। আরেক ব্যবসায়ী রাজু দে জানান, খুব খারাপ সময় যাচ্ছে। দোকান খুলতে হয় বলেই খোলা হচ্ছে।

Published by:Arka Deb
First published:

Tags: COVID19

পরবর্তী খবর