corona virus btn
corona virus btn
Loading

লক ডাউনে বন্ধ ক্যাটারিংয়ের ব্যবসা, ফুটপাতে মাস্ক বিক্রি করছেন শ্যামবাজারের যুবক

লক ডাউনে বন্ধ ক্যাটারিংয়ের ব্যবসা, ফুটপাতে মাস্ক বিক্রি করছেন শ্যামবাজারের যুবক

করোনা ভাইরাসের জন্য লক ডাউন প্রায় এক মাস হতে চলেছে। জরুরি পরিষেবা ছাড়া এখন সব বন্ধ। এমতাবস্থায় পেশা বদলাতে হচ্ছে অনেকেই।

  • Share this:

#কলকাতাঃ 'দশ টাকায় নিজে বাঁচুন অপরকে বাঁচান, একটা মাস্ক পড়ুন'-শ্যামবাজার পাঁচ মাথা মোড়ে গেলে এক যুবককে গলায় এই কথাগুলো আপনি শুনতেই পারেন। যুবকের নাম অনুভব রায়। অনেকের মত করোনা ভাইরাসের জন্য  তাঁকে বদলাতে হয়েছে পুরনো পেশা।

করোনা ভাইরাসের জন্য লক ডাউন প্রায় এক মাস হতে চলেছে। জরুরি পরিষেবা ছাড়া এখন সব বন্ধ। বাড়ি থেকে বেরোনো নিয়ে রয়েছে প্রশাসনিক কড়াকড়ি। ফলে অনেকেই যেতে পারছেন না কাজে। যারা বাড়িতে বসে কাজ করতেন তাদের উপরও ব্যাপক প্রভাব পড়ছে লক ডাউনের জন্য। স্বাভাবিক ভাবেই রুজিরুটি বন্ধ হয়ে গেছে অনেকেরই। তাই অনেক মানুষ বিকল্প পেশা বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন।

অনুভব রায়েরও কাহিনী একেবারে সেই রকম। শ্যামবাজার পাঁচ মাথা মোড় থেকে আরজি কর হাসপাতালে দিকে যাওয়ার সময় ফুটপাতের ডান দিকে একটু এগোলেই নতুন দোকান দিয়েছে ওই যুবক। দোকানের বহর অবশ্য খুবই ছোট। কয়েকটা মাস্ক, গ্লাভস যেমন রয়েছে, তেমন বিক্রি করছে কেক, বিস্কুট, দেশলাই, বিড়ি, সিগারেট।  দিন দশেক আগে শুরু করেছে নতুন এই ব্যবসা। তিনি বলেন, 'উল্টো দিকেই বাজার। সকালবেলা অনেক মানুষ বাজার করতে আসছেন। তারা অনেকেই আসছেন আমার দোকানে।' যে জলচৌকিতে বসে দোকান চালাচ্ছেন সেখানে লক ডাউনের আগে এক পরিচিতের ছোট জামা কাপড়ের দোকান ছিল। এখন সেটা বন্ধ। তাই আপাতত সেই জল চৌকিতেই দোকান পেতেছে অনুভব।

কিন্তু আগে কি করতেন?

দীর্ঘদিন ধরে ক্যাটারিং আর হোম ডেলিভারি ব্যবস্থায় খাবার সরবরাহের ব্যবসা ছিল পরিবারের। কিন্তু লকডাউনের ফলে ব্যবসা এখন বন্ধ। করোনা ভাইরাসের ভয়ে এখন কেউ আর খাবারের অর্ডার দিচ্ছে না। একই সঙ্গে বাড়ি বর্তমান পরিস্থিতিতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাবার পৌঁছে দেওয়াটাও যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। অনুভব বলেন, 'কার বাড়িতে কী অবস্থা কি করে বুঝব। আমরা যে পাত্র করে খাবার দেব সেই পাত্র ফেরত নেওয়ার সময় তাতে করোনা ভাইরাস থাকবে কি না কি করে বুঝব?' ফলে এই মারণ ভাইরাস জন্য তৈরি হওয়া অবিশ্বাসের বাতাবরণে বন্ধ হয়েছে ব্যবসা। একই সঙ্গে এই সময় বিয়ে বাড়ির কাজের অর্ডার ছিল। কিন্তু সেসবের কি হবে তা কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না অনুভব। তাই আপাতত দশ টাকার মাস্ক বিক্রিতে মন দিয়েছে সে।

SOUJAN MONDAL

Published by: Shubhagata Dey
First published: April 21, 2020, 3:00 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर