করোনা ঠেকাতে বর্ধমান শহরে একদিন অন্তর দোকান খোলার নির্দেশ

বর্ধমান শহরের বাজারগুলিতে বিধিনিষেধ জারি৷

সবজি ও মাছ বাজার খোলা রাখার সময়সীমা কমিয়ে আনা হয়েছে। কিছু কিছু বাজার পুরোপুরি বন্ধ করা হয়েছে।

  • Share this:

    #বর্ধমান: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বর্ধমানের বেশ কিছু  সবজি এবং মাছের বাজারে ভিড় নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগী হল জেলা প্রশাসন। বর্ধমানের  গুরুত্বপূর্ণ সবজি বাজারগুলি খোলা রাখার সময়সীমা কমানো হয়েছে। ভিড়  নিয়ন্ত্রণের জন্যই এই সিদ্ধান্ত। সেই সঙ্গে শহরের মূল বাজার এলাকাগুলিতে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছে জেলা প্রশাসন। সব মিলিয়ে সংক্রমণ বাড়ায় কমবেশি বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে শহরের সব বাজারেই।

    সবজি ও মাছ বাজার খোলা রাখার সময়সীমা কমিয়ে আনা হয়েছে। কিছু কিছু বাজার পুরোপুরি বন্ধ করা হয়েছে। বেশ কিছু বাজার এলাকার দোকানপাট একদিন অন্তর খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্ধমানের স্টেশন বাজার অন্য সময় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খোলা থাকত। এই বাজারে মাছ ও সবজি কেনার জন্য ভিড় করেন ক্রেতারা। ঠিক হয়েছে, এই বাজার বিকেল চারটে পর্যন্ত খোলা থাকবে। তারপর আর কোনও বিক্রেতা পসরা সাজাতে পারবেন না। বিক্রেতাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাজারে মাস্ক ছাড়া কাউকে ঢুকতে না দেওয়া নির্দেশ জারি হয়েছে।

    বড়নীলপুর ও ছোটনীলপুর এলাকায় পুরোপুরি লক ডাউন চলছে। এখানে সপ্তাহের তিন দিন সবজি বাজার ও তিন দিন মাছ বাজার খোলা থাকবে। রবিবার কোনও  বাজারই বসবে না বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    এছাড়াও বর্ধমানের বি সি রোড, বড় বাজারে একদিন অন্তর দোকান খোলার নির্দেশ জারি হয়েছে। রবিবার এই দুই এলাকার বাঁদিকের দোকান খোলা ছিল। সোমবার ডানদিকের দোকান খোলা থাকবে। সেদিন বাঁদিকের দোকান বন্ধ থাকবে। একই নিয়ম জারি হয়েছে বর্ধমানের বীরহাটা থেকে তেলিপুকুর পর্যন্ত রাস্তার দু'দিকেই। এছাড়াও বৈদ্যনাথ কাটরা, দত্ত সেন্টার থেকে শুরু করে বিভিন্ন মার্কেট এলাকাতেও দোকান খোলা বন্ধে বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান শহরের সোনাপট্টি বাজার, চাঁদনি চক বাজার, নতুনগঞ্জ বাজার, রানিগঞ্জ বাজার থেকে চার্চ পর্যন্ত এলাকা, পুলিশ লাইন বাজার, বিবেকানন্দ কলেজের মোড় বাজারেও একদিন ডানদিকের দোকান এবং অন্যদিন বাঁদিকের দোকান খোলা থাকবে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতির বিচার করে লকডাউন কড়াকড়ি করার ক্ষেত্রে ভাবনাচিন্তা করা হবে। করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না এলে আরও বেশি এলাকাজুড়ে লকডাউনের কড়াকড়ি জারি  করা হতে পারে।

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: