লকডাউনে মানুষের কাছে পৌছতে 'মুসকিল আসান' কর্মসূচি CPIM-র ছাত্র-যুব সংগঠনের

লকডাউনে মানুষের কাছে পৌছতে 'মুসকিল আসান' কর্মসূচি CPIM-র ছাত্র-যুব সংগঠনের

শহরাঞ্চলে মূলত গুরুত্ব দিলেও আগামী দিনে রাজ্যের সর্বত্র এই পরিষেবা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা ৷

  • Share this:

#কলকাতা: করোনায় আতঙ্কিত মানুষ, লকডাউনে গৃহবন্দি। অথচ কোন জিনিসের প্রয়োজন হলে তা আনার উপায় নেই। এমন পরিস্থিতিতে মানুষের মন পেতে অভিনব পন্থা নিল  CPIM-র ছাত্র-যুব সংগঠন।

প্রত্যেকটি এলাকাকে আলাদা আলাদা করে ভাগ করে সেখানে একটি টিম তৈরি করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সেই টিমের সদস্যদের ফোন নাম্বার। সেই নাম্বারে ফোন করলেই টিমের সদস্যরা এসে সেই কাজ করে দিয়ে যাবেন। এসএফআই-য়ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, রাজ্যব্যাপী এই কর্মসূচি নেওয়া হলেও মূলত শহরাঞ্চলেই এই বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। যেমন ধরা যাক সল্টলেকে এখানে প্রচুর প্রবীণ মানুষ বসবাস করেন। কোনও প্রয়োজনে কাজের লোকই ভরসা। কিন্তু এখন কাজের লোক ছুটিতে আছে। সেক্ষেত্রে এই নম্বরগুলোতে ফোন করলেই আমাদের সদস্যরা পৌঁছে যাবে তাদের কাছে। প্রতি মুহূর্তে তাঁরা এলাকার মানুষের  খোঁজখবরও রাখবেন। কারো কিছু প্রয়োজন কিনা? কেউ অসুস্থ কিনা? এই সুযোগে বাড়ি বাড়িতে গিয়ে তাঁরা করোনা সম্পর্কে মানুষকে সচেতনও করবেন। তবে সবক্ষেত্রেই মানতে হবে নিয়ম। দলবেঁধে কোথাও যাওয়া যাবে না। অবশ্যই পড়তে হবে মাস্ক। "

কিরকম ধরনের সাহায্য করবে এই টিমের সদস্যরা? ডিওয়াইএফআই- -এর রাজ্য সম্পাদক সায়নদীপ মিত্র জানান, "চাল, ডাল, আটা, ময়দা, তেল শাকসবজি, পানীয় জল, ওষুধের মত নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সবকিছুই দেওয়া হবে। দেওয়া হবে স্যানিটাইজারও। এমনকি যাদের টাকা নেই তাদেরকেও বিনামূল্যে এগুলো সরবরাহ করা হবে। এলাকার মানুষের সাহায্য নিয়ে আঞ্চলিক স্তরে এই কাজ করছে ছাত্র-যুব রা। তাছাড়া কোনও মানুষের ডাক্তারের প্রয়োজন হলে অথবা হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার দরকার হলে তারাই সেই ব্যবস্থা করবে।"

শহরাঞ্চলে মূলত গুরুত্ব দিলেও আগামী দিনে রাজ্যের সর্বত্র এই পরিষেবা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা ৷

Ujjal Roy

First published: March 25, 2020, 10:59 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर