corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে বন্ধ যৌনপল্লী, তাতে কী! শরীরের খিদে মেটাতে এইভাবে চলছে ‘সেক্স’

লকডাউনে বন্ধ যৌনপল্লী, তাতে কী! শরীরের খিদে মেটাতে এইভাবে চলছে ‘সেক্স’
Representative Image

দুষ্টু মিষ্টি, গান ঝলমলে আলো, দর ঠিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জড়িয়ে ধরে খাটে ফেলে রগড়ানো ভালোবাসা। সে সব এখন কিছুই নেই। কিন্তু যা আছে তা আরও বড় নেশা..

  • Share this:

#কলকাতা: মাঝ রাতে কোকিলের ডাক।পরিবেশ আগের থেকে অনেক দূষণ মুক্ত।বাড়ির জানালার কাছে পাখিদের কোলাহল, বহুদিন পর আলাদা একটা মাত্রা এনে দিয়েছে।আর এই কোলাহলেই ঘুম ভাঙছে প্রতিদিন।প্রতিদিন সকালে উঠে আয়নায় আর দেখতে হয়না,কামুক সুরাশক্তের আঁচড় গালে,বুকে,পেট কতটা ক্ষত তৈরি করেছে।  বিষয়টা গনিকাদের নিয়ে। রেড লাইট এলাকার লম্বা গলি ,দুষ্টু মিষ্টি, গান ঝলমলে আলো, দর ঠিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জড়িয়ে ধরে খাটে ফেলে রগড়ানো ভালোবাসা। সে সব এখন কিছুই নেই।

প্রতিদিন  আর চার - পাঁচবার নগ্ন হতে হয়না। একটি ফোন ছাড়া আর বাদবাকি ফোনগুলো সুইচড অফ করে রাখা। অর্থ রোজগারের ব্যস্ততা নেই। প্রতিদিন নিত্য নতুন স্বপ্ন দেখা! সেটারও বালাই নেই। লক ডাউন চলছে চারিদিকে।

প্রভা কলকাতার বিখ্যাত যৌনপল্লীতে থাকে। প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ জন পুরুষের সঙ্গে সহবাস করতে বাধ্য হয়। রোজগার খুব একটা খারাপ হত না। তবে খরচটাও বেশ ছিল। সবদিকে হাহাকার। এদের এখন কি হবে? কি করে খাবে? কোথা থেকে রোজগার আসবে? এই সব! তবে রোজগার যে একেবারে বন্ধ হয়ে যায় নি, সেটা বোঝা গেল প্রভার সঙ্গে কথা বলে।  যারাই দেহ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত তারা প্রত্যেকেই সারাদিন মোবাইল ফোনে ভিডিও চ্যাটিং এ ব্যস্ত থাকছে।যদিও এখন সবাই নিজের বাড়িতে ফিরে গেছে।তাই সব কিছু সামলে করতে হচ্ছে।ওর কথা অনুযায়ী ' কিছু কাস্টমার আছে যাদের সঙ্গে মানসিক সম্পর্কটা অনেকটা কাছাকাছি। তাদের কলগুলো রিসিভ করি'। মোবাইল ফোনে ,ফোন সেক্স করতে হয় তাদের সঙ্গে। অবশ্য সেটা বিনামূল্যে নয়। ফোনের ওপার থেকে কাস্টমার বিভিন্ন ধরনের অঙ্গভঙ্গি করে,আবদার করে,খোলা দেহ দেখতে চায় ।যাতে তার যতটা তৃপ্তি আসে। কেউ অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেয়। না হলে লকডাউন উঠে গেলে তারপর পেমেন্ট দেবে।অবশ্য সেটা নিয়ে চিন্তা নেই।

শ্বেতা হোটেলে এসকর্ট সার্ভিসে কাজ করে। তারও একই বক্তব্য। সকাল নেই, দুপুর নেই ক্লায়েন্টদের ফোন আসতেই থাকে। তাদের চাহিদামত তাদের সঙ্গে ফোনে সেক্স করতে হয়। অবশ্যই ভিডিও কল। ওদের বক্তব্য ওরা সবাই ক্লায়েন্ট এর ফোন গ্রাহ্য করে না। তবে জীবিকা এবং ভালোবাসার স্বার্থে কয়েকজনের সঙ্গে করতেই হয়। তাদের আবদার মানতেই হয়।  তবে যারা উদ্দাম কামুকতায় ভোগে তাদের নেশা তো মহিলা শরীরে। প্রভা, শ্বেতাদের রোজগার তো করতেই হবে ।তাই বিকল্প পথ ফোন সেক্স।

এটা নিয়ে অবশ্য পুলিশি ধরপাকড়ের ভয় নেই। সমাজে কেউ বেশ্যা বলে আখ্যা দেবে না। ভালোই চলছে লকডাউন মার্কেট।তবে ওদের কথা অনুযায়ী সমাজে  বিকৃত কামের মানুষের সংখ্যা অনেক বেশী।তাদের সুস্থ রাখতে এই পথ খুবই প্রয়োজন।মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য,' এই ভাবে যদি, এই ধরনের পুরুষের চাহিদা না মেটায়,তাহলে এই সব পুরুষরা বাড়িতে বসেই যে কোনো ভাবে অপরাধ ঘটিয়ে ফেলতে পারে।'  ফোন সেক্সের কথা তিনিও স্বীকার করে নেন।যদিও এটি মানুষের প্রাকৃতিক সমস্যা।তাই এর মাধ্যমে দুজনেরই ভালো চলছে।ক্ষতির কোনো বিষয় দেখছে না,অভিজ্ঞ মহল।পেশার বিকল্প এটি।সংক্রমণের সম্ভাবনা নেই । তবে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাচ্ছে শরীরপ্রেমীরা।

Shanku Santra

Published by: Elina Datta
First published: April 20, 2020, 11:46 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर