• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • মসৃণ টিকাকরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সিরাম ইনস্টিটিউট ও ভারত বায়োটেক

মসৃণ টিকাকরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সিরাম ইনস্টিটিউট ও ভারত বায়োটেক

মসৃণ ভাবে টিকাকরণের ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ হল সিরাম ইনস্টিটিউট ও ভারত বায়োটেক

মসৃণ ভাবে টিকাকরণের ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ হল সিরাম ইনস্টিটিউট ও ভারত বায়োটেক

কোভিড প্রতিষেধক দেওয়ার কাজ মসৃণ ভাবে সম্পন্ন করার ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ হল সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া ও ভারত বায়োটেক৷ সিরামের কর্ণধার আদার পুনাওয়ালা ও ভারত বায়োটেকের প্রতিষ্ঠাতা ডাক্তার কৃষ্ণা এল্লা যুগ্নভাবে বিবৃতি দিলেন মঙ্গলবার৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি দুই করোনা টিকাকে (অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনকা ও সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার তৈরি কোভিশিল্ড ও ভারত বায়োটেকের কোভ্যাকসিন) শর্তসাপেক্ষে এবং জরুরি ভিত্তিতেই ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র৷

    শীঘ্রই টিকাকরণের কর্মমূচি শুরু হয়ে যাবে দেশে ও বিদেশে৷ কোভিড প্রতিষেধক দেওয়ার কাজ মসৃণ ভাবে সম্পন্ন করার ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ হল সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া ও ভারত বায়োটেক৷ সিরামের কর্ণধার আদার পুনাওয়ালা ও ভারত বায়োটেকের প্রতিষ্ঠাতা ডাক্তার কৃষ্ণা এল্লা যুগ্নভাবে বিবৃতি দিলেন মঙ্গলবার৷

    দুই কোম্পানির তরফে বলা হয়েছে, "দুই করোনা টিকাকে জরুরি ভিত্তিতে ব্যাবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ভারতে৷ এখন আমাদের ফোকাস উত্পাদন, সরবরাহ এবং বিতরণ৷ যাতে মানুষ সবচেয়ে উন্নত মানের, নিরাপদ ও কার্যকারী ভ্যাকসিন পায়৷ উভয় সংস্থাই পুরোপুরি ভাবে এই ক্রিয়াকলাপের সঙ্গে নিযুক্ত৷ টিকাকরণের কাজ মসৃণ ভাবে সম্পন্ন করার জন্য আমরা দেশ এবং বিশ্বের কাছে দায়বদ্ধ বলে মনে করি। এই দুই সংস্থা পরিকল্পনা অনুযায়ী তাদের কোভিড ভ্যাকসিন উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মানুষ এবং দেশগুলির জন্য এই ভ্যাকসিনগুলির গুরুত্ব সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন৷ আমরা যৌথভাবে অঙ্গীকার বদ্ধ হচ্ছি ভ্যাকসিনগুলির জন্য বিশ্বব্যাপী সরবরাহের জন্য সচল রাখতে পারি।"

    কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিনকে সরকারি ভাবে ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই) ভিজি সোমানি৷ রবিবার এই ঘোষণার সঙ্গেই দেশবাসীর মুখে ফুটেছে হাসি ৷ সোমানি জানিয়েছেন যে, কোভিশিল্ডের পাশাপাশি কোভ্যাকসিন ব্যবহার করাও একশ শতাংশ নিরাপদ৷

    এইএমসের ডিরেক্টর ডাক্তার রণদীপ গুলেরিয়া বলছেন আপাতত কোভ্যাকসিনকে ব্যাক-আপ হিসেবেই থাকছে৷ শুরুতে ব্যবহার হবে কোভিশিল্ড৷ কোভিশিল্ডকে সুনিশ্চিত ভাবে ফলপ্রদ বলা না পর্যন্ত কোভ্যাকসিনকে ব্যাক-আপে রাখার কথা বলেছেন গুলেরিয়া৷ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন এখনও ক্লিনিকাল ট্রায়ালে রয়েছে। এই সংস্থাকে জরুরি ভিত্তিতে ছাড়পত্র দেওয়া হয় কেন্দ্র থেকে।

    Published by:Subhapam Saha
    First published: