চাঞ্চল্যকর! চিনা নাগরিক ভেবে যাদবপুরের পড়ুয়াদের সবজি বিক্রি করতে অস্বীকার

চাঞ্চল্যকর! চিনা নাগরিক ভেবে যাদবপুরের পড়ুয়াদের সবজি বিক্রি করতে অস্বীকার

দেশজুড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা।

  • Share this:

#‌কলকাতা:‌ করেনা ভাইরাসে আতঙ্কের জের। চিনা নাগরিক ভেবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরবঙ্গের কয়েকজন পড়ুয়াকে সবজি বিক্রি করতে অস্বীকার করলেন বিক্রেতারা। অভিযোগ, সম্প্রতি যাদবপুর সংলগ্ন একটি বাজারে বাজার করতে গেলে সবজি বিক্রেতারা তাঁদের সবজি দিতে অ‌স্বীকার করেন। শুধু তাই নয়, একাধিক সবজি বিক্রেতারা তাঁদের বাজার দিতেও চাননি বলে অভিযোগ। এই খবর জানাজানি হতেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা বিভাগের ছাত্র সংসদ লিখিত বিবৃতি জারি করে প্রতিবাদ জানিয়েছে। লিখিত বিবৃতিতে তাঁরা জানান, ‘‌গত ২৪ শে মার্চ একটি ঘটনা আমাদের নজরে এসেছে। উত্তরবঙ্গ থেকে আসা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র-ছাত্রী বাজার করতে গেলে তাদের চিনা সন্দেহে জিনিসপত্র দিতে অস্বীকার করেন দোকানদার। আর্টস ফাকাল্টি স্টুডেন্ট ইউনিয়ন এই ধরনের বৈষম্য তৈরি করার প্রতিবাদ জানায়।’‌ যদিও এই ঘটনা সম্পর্কে পুলিশের কাছে কোন অভিযোগ দেওয়া হয়নি বলেই জানা গেছে।

দেশজুড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। করোনা ভাইরাসের শুরুটা চিন থেকে হলেও বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তা ছড়িয়ে পড়েছে। শুক্রবারের পরিসংখ্যান বলছে চিনকে টপকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতেই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে গেছে কলকাতা যাদবপুর সংলগ্ন এলাকাতেই। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা বিভাগের ছাত্র সংসদের অভিযোগ, চিনা সন্দেহে উত্তরবঙ্গ থেকে আসা কয়েকজন পড়ুয়াকে সবজি বিক্রি করতে অস্বীকার করেন দোকানদাররা। সম্প্রতি এই বিষয় নিয়ে সরব হয়ে একটি লিখিত বিবৃতিও জারি করেছে কলা বিভাগের ছাত্র সংসদ। যদিও এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়় কর্তৃপক্ষের নজরে আসেনি বলেই দাবি উপাচার্যর। এ প্রসঙ্গে উপাচার্য সুরঞ্জন দাস জানিয়েছেন, ‘‌ঘটনাটি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নই। যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে এটি দুর্ভাগ্যজনক। বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রশাসনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হবে।’‌ তবে কলা বিভাগের ছাত্র সংসদের তবে এ ধরনের বিবৃতি জারি করার পাশাপাশি তাদের তরফেও হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে। কলা বিভাগের সাধারণ সম্পাদক, সহকারী সাধারণ সম্পাদকের নম্বর হেল্পলাইন হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

SOMRAJ BANDOPADHYAY

First published: March 27, 2020, 11:23 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर