• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • কারও থাকছে উপসর্গ, কারও নয়; করোনা-আক্রান্তদের কেন এমন হচ্ছে জানিয়ে দিল নতুন সমীক্ষা!

কারও থাকছে উপসর্গ, কারও নয়; করোনা-আক্রান্তদের কেন এমন হচ্ছে জানিয়ে দিল নতুন সমীক্ষা!

কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ নভেম্বর থেকে ২৩ ়ডিসেম্বরের মধ্যে মোট ৩৩ হাজার যাত্রী দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে নেমেছেন৷ তাঁদের মধ্যে মাত্র ১১৪ জনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে৷ এই পজিটিভ নমুনাগুলি পরীক্ষার জন্য দেশের মোট দশটি বিশেষ পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়৷ তার মধ্যেই ৬টি নমুনায় এই নতুন স্ট্রেন ধরা পড়ে৷

কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ নভেম্বর থেকে ২৩ ়ডিসেম্বরের মধ্যে মোট ৩৩ হাজার যাত্রী দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে নেমেছেন৷ তাঁদের মধ্যে মাত্র ১১৪ জনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে৷ এই পজিটিভ নমুনাগুলি পরীক্ষার জন্য দেশের মোট দশটি বিশেষ পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়৷ তার মধ্যেই ৬টি নমুনায় এই নতুন স্ট্রেন ধরা পড়ে৷

কারও শরীরে আবার ভাইরাসের উপস্থিতিই বোঝা যাচ্ছে না! করোনার এই বহুমুখী চরিত্র পরিবর্তনের জন্যই চলছে নানা গবেষণা।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: একেক শরীরে একেক ভাবে কাজ করে করোনাভাইরাস। যতদিন যাচ্ছে একাধিক উপসর্গ বাড়ার পাশাপাশি বাড়ছে করোনার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও। করোনা ঠিক হয়ে গেলেও ভাইরাস ক্ষতি করে দিয়ে যাচ্ছে একাধিক শারীরিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের। কারও শরীরে এই ভাইরাস এমন ভাবে কাজ করছে যে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে। কারও শরীরে আবার ভাইরাসের উপস্থিতিই বোঝা যাচ্ছে না! করোনার এই বহুমুখী চরিত্র পরিবর্তনের জন্যই চলছে নানা গবেষণা। যার মধ্যে সম্প্রতি একটি গবেষণায় চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন যে কেন মানবশরীরে দু'রকম ভাবে কাজ করছে করোনা!

Beth Israel Deaconess Medical Center (BIDMC)-এর একটি সমীক্ষা জানাচ্ছে, করোনা ভাইরাস ও তার রিস্ক ফ্যাক্টর কিছুটা হলেও জিনগত। তার জন্য ব্যক্তিবিশেষে আলাদা আলাদা উপসর্গ বা উপসর্গ না থাকার কারণ প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে।

প্রতিদিনই লক্ষ লক্ষ মানুষ বিশ্বে আক্রান্ত হচ্ছেন। তার মধ্যে কারও সামান্য উপসর্গ থাকছে, কারও মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে। নিউ ইংল্যান্ড জার্নালে প্রকাশিত সাম্প্রতিক এই সমীক্ষার প্রধান BIDMC-র কার্ডিওভাসকুলার মেডিসিনের রবার্ট ই গার্সজটেন জানাচ্ছেন, প্রাথমিক ভাবে অন্যান্য শারীরিক সমস্যা এই ব্যাপারটিকে প্রভাবিত করে। সে জন্য এই উপসর্গ থাকা বা না থাকা বা মৃদু হওয়ার ব্যপারটি রোগীভেদে দেখা যায়। যাঁদের কার্ডিওভাসকুলার বা মেটাবলিক ডিজিস থাকে, তাঁদের ক্ষেত্রে রিস্ক ফ্যাক্টর বেশি বলে জানিয়েছেন তিনি।

এই সমীক্ষা আরও বলছে যে, চিন, ইউরোপ ও আমেরিকায় মানুষের জিন যে রকম আলাদা আলাদা, তার উপরেই করোনার রিস্ক ফ্যাক্টর নির্ভর করেছে। তবে, বিস্তারিত ভাবে দেখতে গেলে, সেই জিনে প্রোটিনের কী গঠন রয়েছে বা পরিমাণ রয়েছে তা দেখতে হবে। এবং তা কী ভাবে এই ডিজিসের ক্ষেত্রে কাজ করছে তা পরীক্ষা করতে হবে।

গার্সজটেন ও তাঁর সহকর্মীরা যে তথ্য সংগ্রহ করেছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন জায়গা থেকে যে প্রোটিন ও মেটাবলিজমের স্যাম্পেল পাওয়া যাচ্ছে, তাতে যে জেনোম পাওয়া যাচ্ছে, তার কয়েকটির মধ্যে একটি জেনোমিক হটস্পট থাকছে। যা শরীরে করোনা ভাইরাসের দাপট বাড়াতে সাহায্য করছে। এবং এই ধরনের প্রোটিন বা জেনোম কোনও একটি নির্দিষ্ট এলাকার অনেকের মধ্যেই থাকছে। যা সেই এলাকার মানুষজনের রিস্ক ফ্যাক্টর বাড়িয়ে দিচ্ছে।

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: