Home /News /coronavirus-latest-news /
EXCLUSIVE- বন্ধ স্কুল,পিছোতে পারে শিক্ষাবর্ষ, আলোচনা শুরু স্কুল শিক্ষা দফতরের: সূত্র

EXCLUSIVE- বন্ধ স্কুল,পিছোতে পারে শিক্ষাবর্ষ, আলোচনা শুরু স্কুল শিক্ষা দফতরের: সূত্র

কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে স্কুল সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলায় অনুমতি দিলেও গাইডলাইনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, স্কুল বা কলেজ খোলার আগে সংশ্লিষ্ট ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে পরিস্থিতির সার্বিক বিচার করেই নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত ৷ একই সঙ্গে পড়ুয়ারা স্কুল বা কলেজে এসে সশরীরে ক্লাস করবেন কিনা সে ব্যাপারে অভিভাবকের অনুমতি আবশ্যক ৷ অভিভাবকের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনও পড়ুয়া স্কুল বা কলেজে এসে ক্লাস করতে পারবে না ৷

কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে স্কুল সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলায় অনুমতি দিলেও গাইডলাইনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, স্কুল বা কলেজ খোলার আগে সংশ্লিষ্ট ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে পরিস্থিতির সার্বিক বিচার করেই নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত ৷ একই সঙ্গে পড়ুয়ারা স্কুল বা কলেজে এসে সশরীরে ক্লাস করবেন কিনা সে ব্যাপারে অভিভাবকের অনুমতি আবশ্যক ৷ অভিভাবকের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনও পড়ুয়া স্কুল বা কলেজে এসে ক্লাস করতে পারবে না ৷

বর্তমান করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে সেপ্টেম্বর মাসে স্কুল খোলার সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ । অন্তত এমনটাই দাবি রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের।

  • Share this:

#কলকাতা : সিলেবাস কমানো নয়, পিছিয়ে যেতে পারে শিক্ষাবর্ষ। এমনটাই খবর রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে। সিলেবাস কমানোর বিকল্প ভাবনা হিসেবে শিক্ষাবর্ষ পিছিয়ে দেওয়া যায় নাকি সেই বিষয়ে আলাপ-আলোচনা শুরু করেছে স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা বলে সূত্রের খবর।

মার্চ মাসের শেষ দিক থেকে এখনও পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে স্কুল বন্ধ রয়েছে। গরমের ছুটি বাদ দিলে এখনও পর্যন্ত চার মাস সময় নষ্ট হয়েছে। করোনা সংক্রমণ কাটিয়ে কবে থেকে স্বাভাবিক হবে স্কুল সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত নয় রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। বর্তমান করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে সেপ্টেম্বর মাসে স্কুল খোলার সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ । অন্তত এমনটাই দাবি রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের। তাই সিলেবাস কমানোর বিকল্প ভাবনা হিসেবে শিক্ষাবর্ষ পিছিয়ে দিলে আদপে লাভবান হবে রাজ্যের ছাত্র-ছাত্রীরাই। তার জেরে শিক্ষাবর্ষ পিছনোও যায় না কি সেই বিষয়ে এবার আলাপ-আলোচনা শুরু করেছে দফতরের আধিকারিকরা বলেই খবর।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জেরে মার্চ মাসের শেষ দিক থেকেই রাজ্যজুড়ে স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। কবে থেকে স্কুল খুলবে সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নয়। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য জানিয়েছিলেন সব ঠিকঠাক থাকলে ৫ সেপ্টেম্বর এর পরে স্কুল খোলার বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করা যাবে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ যে হারে ঊর্ধ্বমুখী সে ক্ষেত্রে সেপ্টেম্বরে স্কুল খোলার সম্ভাবনা কার্যত অনেকটাই ক্ষীণ । তবে শিক্ষা মন্ত্রীর নির্দেশে অবশ্য সিলেবাস কমানোর ব্যাপারে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছিল রাজ্য সিলেবাস কমিটি। গত মাসেই সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যান অভীক মজুমদার জানিয়েছিলেন দশম, দ্বাদশ শ্রেণীতে বোর্ড পরীক্ষার দিকে মাথায় রেখে সিলেবাস কমানো যায় নাকি সেই বিষয়ে আলাপ-আলোচনা চালানো হবে। কিন্তু যেভাবে স্কুল বন্ধের সময়সীমা বাড়ছে সে ক্ষেত্রে সিলেবাস কমিয়ে খুব একটা লাভবান হবে না বলেই মনে করছে দপ্তরের আধিকারিকরা।

কেননা সিলেবাস কমিয়ে দিলে ভবিষ্যতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদেরই। বিশেষত দশম,দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাস কমলে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। যদিও সূত্রের খবর সিলেবাস কমানো নিয়ে এখনও পর্যন্ত আলোচনার প্রক্রিয়া এগোয়নি। ফলে সিলেবাস কমানোর বিকল্প হিসাবে শিক্ষাবর্ষ পিছনোর ভাবনাকেই এখন আলোচনার রূপ দিতে চাইছেন দফতরের আধিকারিকরা। যেহেতু ইতিমধ্যেই সিবিএসসি আইসিএসসি বোর্ড দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর সিলেবাস কমিয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে সেই বিষয়টি অবশ্য মাথায় রাখছে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। তবে এক্ষেত্রে রাজ্যের শিক্ষাবিদদের মতামত নিয়েই এগোবে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর বলে সূত্রের খবর। যদিও এই বিষয় নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যান অভীক মজুমদার।

সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়

Published by:Elina Datta
First published:

Tags: School

পরবর্তী খবর