corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনার ভ্যাকসিন তৈরিতে রুশ বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাই কাজে এসেছে, দাবি রাশিয়ার

করোনার ভ্যাকসিন তৈরিতে রুশ বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাই কাজে এসেছে, দাবি রাশিয়ার

রুশ বিজ্ঞানীদের দাবি, যে পদ্ধতিতে ইবোলার ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছিল, ঠিক সেই পথে হেঁটেই হাতে এসেছে ‘স্পুটনিক 5।

  • Share this:

#মস্কো: অভিজ্ঞতার সঙ্গে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার। তারই ফল করোনার ভ্যাকসিন ‘স্পুটনিক V’। দুনিয়াজোড়া প্রশ্নের মুখে প্রত্যাঘাত রাশিয়ার।মঙ্গলবার ভারতীয় সময় দুপুর আড়াইটে। বিশ্বকে চমকে দিল রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘোষণা, করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে ফেলেছে তাঁর দেশ। একেবারে স্পুটনিক মোমেন্ট। তাই করোনা ভ্যাকসিনের নাম স্পুটনিক 5।

বিশ্বজুড়ে ‘স্পুটনিক 5’ নিয়ে সোরগোল পড়ে গিয়েছে ৷ চমকের চেয়ে ভ্যাকসিনের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। প্রশ্ন ওঠে, WHO-এর গাইডলাইন মেনে ট্রায়াল হয়েছে তো? কেন গবেষণার ফল প্রকাশ করা হল না? ভ্যাকসিন তৈরির চাবিকাঠিই বা কী? রাশিয়ার ভ্যাকসিনের গুণগত মান নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে ৷ WHO-এর গাইডলাইন মেনে কি ট্রায়াল হয়েছে? কেন গবেষণার ফল প্রকাশ করল না রাশিয়া? কোন উপাদানে ভ্যাকসিন তৈরি? এই সমস্ত প্রশ্নই এখন উঠছে ৷

তথ্য গোপনে তথ্য চুরি হওয়ার আশঙ্কাকেই ঢাল করল রাশিয়া। বুধবারই তারা জানিয়ে দিল, ভ্যাকসিন তৈরিতে রুশ বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা আছে। তাকে কাজে লাগিয়েই কয়েক মাসের মধ্যে তৈরি হয়েছে মহামারির প্রথম রুশ অস্ত্র। ভ্যাকসিন সংক্রান্ত তথ্য দিতে ইতিমধ্যেই www.sputnikvaccine.com নামে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছে রুশ প্রশাসন। সেখানেই তারা জানিয়েছে, ভ্যাকসিন তৈরিতে অ্যাডিনোভাইরাসের ব্যবহার করা হয়েছে। এই ভাইরাসের জিনের সঙ্গে অন্য ভাইরাসের প্রোটিন মিশিয়ে তৈরি হয়েছে বহু প্রতিক্ষিত করোনার ভ্যাকসিন। রাশিয়ার দাবি, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে কম সময়ের মধ্যে তাই তৈরি করা গেছে স্পুটনিক ফাইভ।

কী ভাবে তৈরি ‘স্পুটনিক 5’?

- ভ্যাকসিন তৈরিতে অ্যাডিনোভাইরাসের ব্যবহার

- অ্যাডিনোভাইরাসের জিন নিয়ে পরীক্ষা

- অন্য ভাইরাসের প্রোটিন নিয়ে গবেষণা

- নতুন জিন ও প্রোটিনের মিশ্রণে তৈরি করোনার ভ্যাকসিন

- এই প্রক্রিয়ায় কয়েক মাসেই ভ্যাকসিন তৈরি সম্ভব: রাশিয়া

এখানেই শেষ নয়, রুশ বিজ্ঞানীদের দাবি, যে পদ্ধতিতে ইবোলার ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছিল, ঠিক সেই পথে হেঁটেই হাতে এসেছে ‘স্পুটনিক 5। নয়া ভ্যাকসিন শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ১০০ শতাংশ তৈরি করছে বলেও দাবি। ভ্যাকসিনের ২ ডোজেই বাজিমাত করোনা ৷ একই ভাবে ইবোলা ভ্যাকসিন তৈরি করা হয় ৷ নয়া ভ্যাকসিন প্রয়োগে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি৷ রাশিয়ার হাতেই একমাত্র ভ্যাকসিন তৈরির নয়া পদ্ধতি জানা রয়েছে ৷ এমনটাই দাবি করেছে পুতিনের দেশ ৷

কিন্তু ভ্যাকসিনের ট্রায়াল, প্রয়োগ নিয়ে রিপোর্ট কোথায়? রাশিয়ার দাবি, দেশে ‘স্পুটনিক 5’-র দ্বিতীয় দফার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষ। চলতি মাসেই বিশ্বের সামনে হিউম্যান ট্রায়ালের ফলাফল প্রকাশ হবে। দেওয়া হবে অ্যান্টিবডি তৈরি ফলাফলও। রেজিস্ট্রেশনের পর আন্তর্জাতিক স্তরে ৩ দেশে ‘স্পুটনিক 5’-র ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করতে চায় রাশিয়া। সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে পারে ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরি।কয়েক মাসের মধ্যে করোনার মতো অজানা শত্রুকে মারার অস্ত্র তৈরি। রাশিয়ার দাবি, অক্সফোর্ড, আমেরিকা, চিনের বিভিন্ন সংস্থাও ভ্যাকসিন তৈরিতে অ্যাডিনোভাইরাস ব্যবহার করছে। কিন্তু, উন্নতমানের প্রযুক্তি আছে শুধু রাশিয়ার হাতেই। বাকিদের প্রশ্নকে থোড়াই কেয়ার ক্রেমলিনের। বিশ্বের কোনায় কোনায় ‘স্পুটনিক 5’ ছড়িয়ে দেওয়াই এখন মস্কোর কাছে পাখির চোখ।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: August 14, 2020, 7:48 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर