লকডাউনের মধ্যেও প্রতিদিন খুলুক মদের দোকান, ঋষির সুপারিশে ক্ষুব্ধ ভক্তরা

ঋষির টুইটে বিতর্ক৷ PHOTO- FILE

বলিউড তারকার এ হেন টুইট দেখে অবাক হয়েছেন অনেকেই৷ তাঁর এই মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় বলেও মনে করছেন কেউ কেউ৷

  • Share this:

    #মুম্বাই: লকডাউনের জেরে মদের দোকান পুরোপুরি বন্ধ৷ করোনা সংকটের কথা বুঝতে পেরেও সুরাপ্রেমীদের অনেকেই যে তার ফলে বিপাকে পড়েছেন, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না৷ এবার লকডাউনের মধ্যেও প্রতিদিন মদের দোকান খোলার জন্য সরকারকে সুপারিশ করলেন বলিউড তারকা ঋষি কাপূর৷ তবে পুরো সময়ের জন্য নয়, ঋষির পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন অল্প সময়ের জন্য হলেও মদের দোকান খোলা উচিত৷

    নিজের দাবির স্বপক্ষে যুক্তিও দিয়েছেন অভিনেতা৷ তাঁর মতে, লকডাউনের মধ্যে পুলিশ, চিকিৎসক এবং সাধারণ মানুষকে কিছুটা চাপমুক্ত করতেই মদের দোকান খোলা উচিত৷ টুইটারে ঋষি লিখেছেন, 'একবার ভেবে দেখা হোক৷ প্রতিদিন সন্ধ্যায় অন্তত কয়েক ঘণ্টার জন্য হলেও অনুমোদিত মদের দোকানগুলি খুলতে দেওয়া উচিত৷ আমায় ভুল বুঝবেন না৷ এই কদিন বাড়িতে বন্দি হয়ে থেকে সবাইকে অবসাদ, অনিশ্চয়তা গ্রাস করবে৷ পুলিশ, চিকিৎসক, সাধারণ মানুষ, সবারই একটু মুক্তি প্রয়োজন৷ ব্ল্যাকে তো মদ বিক্রি চলছেই!'

    বলিউড তারকার এ হেন টুইট দেখে অবাক হয়েছেন অনেকেই৷ তাঁর এই মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় বলেও মনে করছেন কেউ কেউ৷ ক্ষুব্ধ হয়ে কেউ কেউ বিষয়টি মুম্বাই পুলিশের নজরে এনে ঋষি কাপূরকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন৷ অভিনেতা মদ ব্ল্যাক করার পক্ষে প্রচার করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে৷ ক্ষুব্ধ আর একজন লিখেছেন, 'বড়লোকদের ভাবনাচিন্তাই অন্যরকম৷' আর একজন টুইটার ব্যবহারকারী অভিনেতার মানসিক সুস্থতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন৷

    অন্য একজন অভিনেতার উদ্দেশে লেখেন, 'দয়া করে একটু দায়িত্বশীল টুইট করুন৷ কোভিড ১৯- এর সঙ্গে লড়াই করার জন্য এখন শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে৷ দয়া করে মদের বদলে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার কথা বলুন৷ আর মদ্যপান করলেই অবসাদ কাটে না৷'

    প্রসঙ্গত কয়েকদিন আগেই টুইটারে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েছিলেন অভিনেতা৷ লকডাউনের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর তিনি যেভাবে হাল্কা চালে টুইট করেছিলেন তা অনেকেই ভাল ভাবে নেননি৷ কয়েকজন তাঁকে ট্রোলও করেন৷ জবাবে ঋষি হুঁশিয়ারি দেন, তাঁর জীবনযাপনের ধরন নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুললে তিনি তাঁখে টুইটারে ব্লক করে দেবেন৷

     
    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: