করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

রেস্তোরাঁ, জিম, ধর্মস্থানে যাচ্ছেন? সাবধান, এ সব জায়গাতেই করোনা সংক্রমণের ভয় সব চেয়ে বেশি, বলছে সমীক্ষা!

রেস্তোরাঁ, জিম, ধর্মস্থানে যাচ্ছেন? সাবধান, এ সব জায়গাতেই করোনা সংক্রমণের ভয় সব চেয়ে বেশি, বলছে সমীক্ষা!
Representational Image

কোন কোন জায়গায় সংক্রমণের সম্ভাবনা প্রবল, সেই বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট সমীক্ষায়।

  • Share this:

#কলকাতা: প্যানডেমিকের দশ মাস হতে চলল। জীবনধারাই বদলে দিয়েছে মারণভাইরাস করোনা। ধীরে ধীরে নিউ নর্মালের জীবনে অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন মানুষজন। দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে ফেস মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং। সংক্রমণের ভয় পেরিয়ে মানুষ বাইরে বেরোতে শুরু করেছে। টুকটাক রেস্তোরাঁয় উঁকি মারছে। জিম, মন্দির-মসজিদ-গির্জাতেও যাতায়াত শুরু হয়েছে। কিন্তু সংক্রমণ এখনও বাড়ছে। এই স্বাভাবিক জীবনে ফেরার ছন্দের মাঝেই দানা বাঁধছে আতঙ্ক। তাই সাবধান হতে হবে। সম্প্রতি এমনই দাবি করছে এক সমীক্ষা। কোন কোন জায়গায় সংক্রমণের সম্ভাবনা প্রবল, সেই বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট সমীক্ষায়।

গবেষকদের একাংশ বলছেন, প্রতি দিনই সংক্রমণ বেড়ে চলেছে। এর পিছনে অন্যতম কারণ হল, লকডাউন বা সংক্রমণের প্রথম দিকের তুলনায় বর্তমানে বাইরে বেরোনোর সংখ্যাটা অনেক বেশি। বাস, লোকাল ট্রেন, জিম, ধর্মস্থান খোলার সঙ্গে সঙ্গে অল্পবিস্তর ভিড়, যাতায়াত সব বেড়ে চলেছে। আর এর মাঝে বাড়ছে সংক্রমণও। নেচার পত্রিকায় প্রকাশিত সম্প্রতি এক সমীক্ষা এই পরিস্থিতি নিয়ে সচেতন করেছেন মানুষজনকে। সমীক্ষায় জানানো হয়েছে, শহরাঞ্চলের বিশেষ কিছু স্থানে বারবার যাতায়াত করছেন মানুষজন। অল্প-বিস্তর ভিড়ও জমছে। যা বাড়িয়ে দিচ্ছে সংক্রমণকে।

সমীক্ষা মতে, রেস্তোরাঁ, জিম, কাফে, হোটেল, ধর্মস্থান বেশ কিছু নির্দিষ্ট জায়গায় মানুষজনের যাতায়াত বা একত্র হওয়ার বিষয়টির উপর নজর দিতে হবে। ভিড় কমাতে হবে। তবেই সংক্রমণের গতি কমানো যেতে পারে। এ বিষয়ে স্ট্যান্ডফোর্ড ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্সের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর জিওর লেসকোভেক জানিয়েছেন, এই সমস্ত স্থানে ভিড় জমানো বা যাতায়াতের পরিমাণ অন্তত ২০ শতাংশ কমালেও ৮০ শতাংশের বেশি সংক্রমণ কমতে পারে।

আমেরিকার ১০টি মেট্রোপলিটন এলাকার একাধিক জায়গায় মানুষজনের সেলফোনের ডেটা, লোকেশনের গ্রাফ ও পরিসংখ্যান ব্যবহার করে কোভিড ১৯-এর ক্রমবর্ধমান সংক্রমণের একটি সম্ভাব্য মডেল তৈরি করেছেন এই সমীক্ষার সঙ্গে যুক্ত গবেষকরা। এ ক্ষেত্রে রেস্তোরাঁ, জিম, কাফে, গ্রসারি স্টোর, হোটেল, ডাক্তারদের চেম্বার, ধর্মস্থান সহ নিত্য যাতায়াতের এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। সমীক্ষা বলছে, এই জায়গাগুলি পুনরায় খোলার পর সংক্রমণের মাত্রা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকী, যাঁরা লো-ইনকাম গ্রুপ এলাকায় বসবাস করেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও সংক্রমিত হওয়ার প্রবণতা বেশি। কারণ বস্তি-ঘিঞ্জি এলাকায় বসবাসের জায়গা ছোট। অল্প জায়গায় একসঙ্গে অনেকে বসবাস করছেন। তাই সংক্রমণের সম্ভাবনাও খুব বেশি।

এই সমীক্ষার অবশ্য কিছু সীমবদ্ধতা রয়েছে। কারণ সমীক্ষাটিতে শুধুমাত্র ১০টি মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে সংক্রমণের পরিসংখ্যান নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। ফ্ল্যাট-আবাসন, হাসপাতাল, স্কুল, অফিস, জেল বা সংশোধনাগারসহ একাধিক ক্ষেত্রকে সমীক্ষা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে, কিছুটা হলেও একটি বাস্তব সত্যকে তুলে ধরছে এই গবেষণা। কারণ সমস্ত জায়গা পুনরায় খোলার পর সংক্রমণ যে বাড়বে, তা অস্বীকার করে লাভ নেই।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: November 16, 2020, 3:06 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर