নতুন ধারার করোনাকেও প্রতিহত করতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা তুলনাহীন, দাবি বিশেষজ্ঞদের!

নতুন ধারার করোনাকেও প্রতিহত করতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা তুলনাহীন, দাবি বিশেষজ্ঞদের!

পাশাপাশি, যেহেতু এই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিনের সঙ্গে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের যোগসূত্র রয়েছে, সে কারণে আশায় বুক বাঁধছে এই দেশও।

পাশাপাশি, যেহেতু এই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিনের সঙ্গে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের যোগসূত্র রয়েছে, সে কারণে আশায় বুক বাঁধছে এই দেশও।

  • Share this:

#লন্ডন: করোনাভাইরাসের (Coronavirus) নতুন ধারার সংক্রমণ যে ব্রিটেনকে এর মধ্যেই পর্যুদস্ত করে ফেলেছে, তা সকলের জানা। আর তার সঙ্গে সঙ্গেই এই দেশের চতুর্থ দফা লকডাউনকে ঘিরে বিশ্বে তৈরি হয়েছে তুমুল আতঙ্ক আর অস্বস্তির আবহ{ পাশাপাশি উঠে এসেছে একটি অমোঘ প্রশ্ন- করোনার পুরনো ধারা মোকাবিলায় যে ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে, তা কি নতুন ধারার সংক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম হবে? এই প্রশ্ন ওঠার যুক্তিসঙ্গত কারণ অবশ্য আছে। বলা হচ্ছে যে নতুন ধারার এই করোনাভাইরাস (New Coronavirus Variant) আগের চেয়ে ৭০ শতাংশ বেশি বিধ্বংসী। সেই নিরিখে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার অনুপাত ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে?

ব্রিটেনের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সমীক্ষা দাবি করছে যে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন (Oxford-AstraZeneca Vaccine) এই নতুন ধারার করোনা ঠেকিয়ে রাখতেও সম্পূর্ণ ভাবেই কার্যকর হবে। আশা করা হচ্ছে যে চলতি সপ্তাহের মাঝামাঝি এই ভ্যাকসিন প্রয়োগের ছাড়পত্র সংশ্লিষ্ট সংস্থার হাতে এসে যাবে। সেই মতো সবার প্রথমেই যে সব রোগীরা গুরুতর ভাবে অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অথবা হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তাঁদের আগে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে বলে খবরে জানা গিয়েছে। এই গুরুতর অসুস্থ রোগীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়, তা থেকে ১০ থেকে ১২ মিলিয়নের মধ্যে হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে৷ দ্য সানডে টাইমস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটেনের এক বর্ষীয়ান উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন যে, এই সপ্তাহের মধ্যে ভ্যাকসিন প্রয়োগের ছাড়পত্র এসে গেলে এবং সেই মতো কাজ শুরু করে দেওয়া গেলে আগামী বসন্তের মধ্যেই সংক্রমণ পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

পাশাপাশি, যেহেতু এই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিনের সঙ্গে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের যোগসূত্র রয়েছে, সে কারণে আশায় বুক বাঁধছে এই দেশও। কেন না, সমীক্ষা বলছে যে ফাইজার এবং মডার্না ভ্যাকসিনের তুলনায় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন এই দেশের পক্ষে অনেক বেশি কার্যকর হবে। এই ভ্যাকসিন সাধারণ রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রাতেই সংরক্ষম করা যায়। এ ছাড়া এর খরচও তুলনামূলক ভাবে বেশ কম৷ অ্যাস্ট্রাজেনেকার এক ডোজের দাম হবে ৪ থেকে ৫ ডলার, মানে ভারতীয় মুদ্রায় খুব বেশি হলেও ৫০০ টাকার মধ্যেই দাম থাকবে। অন্য দিকে, অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি জানিয়েছে যে, মাত্র হাফ ডোজেই তাদের ভ্যাকসিন ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কাজ করতে সক্ষম। সব মিলিয়ে, এখন শুধু ছাড়পত্র পাওয়ার অপেক্ষা! আশা করা হচ্ছে যে এর প্রয়োগে ব্রিটেন, ভারত এবং পৃথিবীর অনেক দেশই উপকৃত হবে!

Published by:Pooja Basu
First published:

লেটেস্ট খবর