করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে মিস করছেন গরম কচুরি ও সিঙারা? নামজাদা বেকারি'র অভিনব উদ্যোগে পৌঁছে যাচ্ছে একেবারে বাড়িতে

লকডাউনে মিস করছেন গরম কচুরি ও সিঙারা? নামজাদা বেকারি'র অভিনব উদ্যোগে পৌঁছে যাচ্ছে একেবারে বাড়িতে

শুধু একটা ফোন। ব্যস তাহলেই হবে। এরপর বাড়ির নিচে অপেক্ষা করুন। সামাজিক দূরত্ব মেনে হাতে হাতে গরম কচুরি প্যাকেট পৌঁছে যাবে আপনার বাড়িতে। সিঙারা চাইলেও পাবেন, একেবারে গরম।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনায় গৃহবন্দী বাঙালি। জলখাবারে গরম মুচমুচে জাম্বো কচুরি সঙ্গে আলুর দম।  আবার চা পানের আগে একটা গরম সিঙারা। এমন রসনা তৃপ্তিতে দাঁড়ি টেনে দিয়েছে করোনা। লকডাউনে জেরবার কলকাতা, হাওড়া কার্যত হাঁপিয়ে উঠেছে। উত্তর ২৪ পরগনার অবস্থাও করুণ। এই অবস্থায় বাঙালির প্রিয় রসনা তৃপ্তিতে অভিনব উদ্যোগ নামজাদা বেকারির  সংস্থার ।

শুধু একটা ফোন। ব্যস তাহলেই হবে।  এরপর বাড়ির নিচে অপেক্ষা করুন। সামাজিক দূরত্ব মেনে হাতে হাতে গরম কচুরি প্যাকেট পৌঁছে যাবে আপনার বাড়িতে। সিঙারা চাইলেও পাবেন, একেবারে গরম।  সঙ্গে অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণ।    হাইজিন মেনে করা এয়ারটাইট ওভারর‍্যাপ প্যাকেটে থাকছে ৪ পিস কচুরি সঙ্গে আলুর দম। আর সিঙারা প্যাকেটে থাকছে ২টি করে। কচুরি প্যাকেট প্রতি দাম ৫০টাকা আর সিঙারা ৩০ টাকা।বাঙালি'র খাদ্য অভ্যাসে সকালটা শুরু হয় ব্রেড দিয়ে। করোনা বাঙালি'র সেই অভ্যেসে পূর্ণচ্ছেদ টেনে দিলেও গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই শহরের নামকরা বেকারিটি তা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে  ।

২২ মার্চ জনতা কার্ফু দিন থেকেই একটু একটু করে ডাইনিং টেবিলের ব্রেকফাস্ট তালিকা থেকে উধাও হয়ে যায় কচুরি, জিলিপি, সিঙারা। বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে  কিছুদিন আগেই রাজ্য সিদ্ধান্ত নেয় বেকারি গুলোকে লক ডাউনের আওতার বাইরে নিয়ে আসার। তবে শর্তও কিছু জুড়ে দেয় রাজ্য। সামাজিক দূরত্ব মানা, কর্মীসংখ্যা এক-চতুর্থাংশ করার মতন শর্ত মানলে বেকারি চলবে বলে জানায় নবান্ন। সমস্ত সাবধানতা অবলম্বন করে বাঙালির সকালের ব্রেড পৌঁছে দিতে অভিনব উদ্যোগ আগেই নেয় শহরের নামকরা বেকারিটি ।

সোশ্যাল সাইটে ব্রেডের আবেদন গ্রহণ করছিলো সংস্থাটি। কলকাতা,  নিউটাউন মিলিয়ে ২৩৪ টির বেশি কমপ্লেক্সে ব্রেড পৌঁছে দিতে গিয়ে একটি অনুরোধ বারবার পাচ্ছিলো সংস্থাটি। জলখাবারের প্যাকেট  বেকারির গাড়িতে করে সকাল সকাল বাড়ির দোরগোড়ায় এনে দিন না!  অনুরোধ বাড়তেই থাকছিল। অনুরোধের চাপে বিষয়টি ভাবতে বাধ্য হন নামকরা বেকারি'র কর্ণধার প্রসেনজিৎ সাহা।

বিভিন্ন ব্রেড,  কুকিস, কেকের সঙ্গে এবার কচুরি, সিঙারাও পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন প্রসেনজিৎ সাহা। তাঁর কথায়, " শনিবার প্রথমদিনেই নিউটাউনের ৭০ কমপ্লেক্সে ৫০০ কচুরির প্যাকেট ২০ মিনিটে শেষ!  কাল থেকে তাই ৭০০ প্যাকেট কচুরি তৈরি হবে। রবিবার কচুরি সঙ্গে ৬০০ পিস সিঙারাও প্যাকেটজাত হয়ে পৌঁছে যাবে দোরগোড়ায়। লাভের আশা ছেড়ে আপাতত গৃহবন্দী মানুষের অনুরোধ রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত।"সামাজিক দূরত্ব মেনে আবাসিক লাইন দিয়ে নিচ্ছেন ব্রেড, সিঙারা, কচুরি। বেকারি গুলোতে এখন তাই দ্বিগুণ ব্যস্ততা। প্রথম ব্যস্ততা ব্রেড, কুকিজের আর দ্বিতীয় ব্যস্ততা কচুরি ও সিঙারা ভাজার। সকাল ৮টার মধ্যেই যে পৌঁছে দিতে হবে পদগুলি ব্রেকফাস্ট টেবিলে।   প্রসেনজিৎ বাবু আরও জানাচ্ছেন, ৭৬৮৭০০৯২২৩ নাম্বারে ফোন করে অর্ডার দিলেই নির্দিষ্ট ঠিকানায় ব্রেডের সঙ্গে কচুরি, সিঙারা  পৌঁছে যাবে। লকডাউনে আবাসনের দরজায় জলখাবারের অতি পরিচিত পদগুলি পেয়ে খুশি শহরবাসী।

Arnab Hazra

Published by: Elina Datta
First published: May 3, 2020, 12:17 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर