দিল্লি, মুম্বই থেকে শ্রমিকদের বিহারে ফেরাতে বিনামূল্যে বিমান পরিষেবা দিতে চায় স্পাইসজেট

বেশ কয়েকদিন ধরেই যাত্রীবাহী বিমান পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে দেশে

বেশ কয়েকদিন ধরেই যাত্রীবাহী বিমান পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে দেশে

  • Share this:

    #‌পাটনা:‌ বাইরে আটকে পড়া শ্রমিকদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কাজে এবার এগিয়ে এল বিমানসংস্থা স্পাইসজেট। দেশজুড়ে ২১ দিনের লকডাউন চলছে। করোনাভাইরাস আটকাতে দেশে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে অনেকদিন আগেই। বন্ধ হয়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিক সমস্ত বিমান পরিষেবা। অন্তর্দেশীয় বিমান পরিষেবাও বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই পরিস্থিতিতে কোনো যোগাযোগই আর চালু নেই। বাইরের রাজ্যে আটকে পড়া অসংখ্য মানুষ এখন নিজের বাড়িতে ফিরতে পারছেন না। খবরে উঠে এসেছে, যানবাহন না পেয়ে তারা কয়েকশো কিলোমিটার পায়ে হেঁটেই ফিরতে চেষ্টা করছেন।

    নিজের গ্রামে ফিরতে চেয়ে তাঁরা অনেকেই তোয়াক্কা করছেন না কিছুর। পেটে পড়ছে না খাবার। তবুও শেষ চেষ্টা করছেন নিজের আস্তানায় ফেরার। আর এই খবর দেখেই এগিয়ে এসেছে স্পাইসজেট বিমানসংস্থা।

    তারা ঘোষণা করেছে, করোনাভাইরাস আটকাতে যেকোনও পরিষেবায় যদি তাদের বিমান প্রয়োজন হয়, তাহলে তারা তা বিনামূল্যে দিতে প্রস্তুত। পাশাপাশি বলেছে, দিল্লি ও মুম্বাই থেকে যে সমস্ত শ্রমিকরা বিহারে নিজেদের বাড়ি ফিরতে চাইছেন, তাঁদের জন্য এই দুই শহর থেকে বিহার পর্যন্ত বিনামূল্যে বিমান পরিষেবা দিতে স্পাইসজেট তৈরি। সরকার অনুমতি দিলে এই বড় শহরে আটকে পড়া শ্রমিকদের বিনামূল্যে নিজের বাড়ি ফিরিয়ে দেবে স্পাইসজেট, এমনটাই জানিয়েছেন সংস্থার এমডি ও চেয়ারম্যান অজয় সিং।

    ঘটনাচক্রে বেশ কয়েকদিন ধরেই যাত্রীবাহী বিমান পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে দেশে। এরপরেও বিশেষ বিমানে যদি কোনও শ্রমিককে সরকার ফেরাতে চায়, তাহলে স্পাইসজেট বিনামূল্যে পরিষেবা দেবে। স্বাভাবিকভাবে এই ঘোষণা নেটিজেনদের মন কেড়েছে। সকলেই বলছেন, এই দুর্দিনে বিমানসংস্থা এগিয়ে এসেছে লাভের কথা চিন্তা না করে। অনেক বড় দায়িত্ব পালন করছেন তাঁরা। এখনও পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৮৭০ জন। মৃত্যু হয়েছে বেশ কয়েকজনের। দেশের প্রায় প্রত্যেকটি রাজ্যের আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ। তার মধ্যে এমন পরিষেবা মানুষকে সামান্য হলেও স্বস্তি দিতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published: