• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • PUBG নেশায় খরচ বাবার ১৬ লাখ টাকা, উচিত শিক্ষা দিতে ছেলেকে স্কুটার সারাইয়ের দোকানে কাজে দিলেন বাবা

PUBG নেশায় খরচ বাবার ১৬ লাখ টাকা, উচিত শিক্ষা দিতে ছেলেকে স্কুটার সারাইয়ের দোকানে কাজে দিলেন বাবা

নিজের চিকিৎসা, ছেলের ভবিষ্যতের পড়াশুনা সহ ভবিষ্যতের সঞ্চয় হিসেবে ওই টাকা কটি জমিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি ৷ এর মধ্যে ছিল তাঁর প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকাও

নিজের চিকিৎসা, ছেলের ভবিষ্যতের পড়াশুনা সহ ভবিষ্যতের সঞ্চয় হিসেবে ওই টাকা কটি জমিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি ৷ এর মধ্যে ছিল তাঁর প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকাও

নিজের চিকিৎসা, ছেলের ভবিষ্যতের পড়াশুনা সহ ভবিষ্যতের সঞ্চয় হিসেবে ওই টাকা কটি জমিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি ৷ এর মধ্যে ছিল তাঁর প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকাও

  • Share this:

    #পঞ্জাব: অনলাইন গেম পাবজির নেশায় বাবার অ্যাকাউন্ট এক এক করে প্রায় ১৬ লাখ টাকা তুলে খরচ করে ফেলেছিল বছর ১৭ এক কিশোর ৷ নিজের চিকিৎসা, ছেলের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই টাকা জমিয়েছিলেন ওই কিশোরের বাবা ৷ ভবিষ্যতের জন্য একমাত্র সম্বল ছিল এই সঞ্চয় ৷ তা গেমের নেশায় পুরোটাই উড়িয়ে দিয়েছে ছেলে ৷ শাস্তিস্বরূপ স্কুটার সারাইয়ের দোকানে ছেলেকে কাজে লাগিয়ে দিলেন বাবা ৷ আসলে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে রোজগার করা টাকার মূল্য বোঝাতে এবং গেমের নেশা কাটাতেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে ৷

    ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্জাবে ৷ লকডাউনের মধ্যে অনলাইন ক্লাসের বাহানায় বাবার ফোন চেয়ে নেয় ১৭ বছরের ওই কিশোর ৷ কিন্তু ক্লাসের বদলে ওই ফোন থেকে অনলাইনে পাবজি খেলত কিশোর ৷ এভাবে ফোন থেকেই জেনে যায় বাবার অ্যাকাউন্ট ডিটেসল ৷ এরপরই অ্যাকাউন্টে ব্যালান্স দেখে সেখান থেকে গেমে খরচের জন্য ১৬ লাখ টাকা তুলে নেয় সে ৷

    নিজের চিকিৎসা, ছেলের ভবিষ্যতের পড়াশুনা সহ ভবিষ্যতের সঞ্চয় হিসেবে ওই টাকা কটি জমিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি ৷ এর মধ্যে ছিল তাঁর প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকাও ৷ কিন্তু ছেলের কাণ্ডে সবই সাফ ৷ প্রথমে ব্যাঙ্কে থেকে টাকা তুলে নেওয়ার মেসেজ পেয়ে ফ্রড ভেবে ব্যাঙ্ক ও পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি ৷ কিন্তু পরে ফাঁস হয় গুণধরের কীর্তি ৷ যেহেতু ব্যক্তির ছেলে নিজে ওই টাকা তুলে খরচ করেছে তাই মামলা থেকে হাত তুলে নেয় পুলিশ ৷ টাকা ফেরত পাওয়ার সমস্ত আশা জলে ৷

    সারাজীবন পরিশ্রম করে এই কটি টাকাই সঞ্চয় করতে পেরেছিলেন পঞ্জাবের ওই ব্যক্তি ৷ এখন সমস্ত সঞ্চয় হারিয়ে অনিশ্চিত তার ভবিষ্যত ৷ পরিশ্রমের বিনিময়ে অর্থ উপার্জন আসলে যে কতটা কঠিন, সেই শিক্ষাই দিতে পুরো ঘটনা জানতে পারার পর ছেলেকে একটি স্কুটাই সারাইয়ের দোকানে কাজে পাঠিয়েছেন ওই ব্যক্তি ৷ সঞ্চয় হারিয়ে এতটাই অসহায় পড়ছেন ওই ব্যক্তি যে এখন তিনি নিজের বাবা মাকেও টাকা পাঠাতে পারছেন না ৷

    Published by:Elina Datta
    First published: