সোমবার বিকেল থেকে লকডাউন!‌ দুশ্চিন্তায় ঘুম উড়েছে কৃষকদের

সোমবার বিকেল থেকে লকডাউন!‌ দুশ্চিন্তায় ঘুম উড়েছে কৃষকদের

আগামী কয়েক দিন লকডাউন চলাকালীন আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় ভুগছেন কৃষকরা।

  • Share this:

#কলকাতা: সোমবার বিকেল থেকেই লকডাউন রাজ্যজুড়ে। সরকারি ও বেসরকারি সবরকম পরিবহনব্যবস্থা বন্ধ থাকার ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। করোনা ভাইরাসের আক্রমণ রুখতে রাজ্যের এই পদক্ষেপ সমর্থন করেছেন আপামর রাজ্যবাসী। কিন্তু তবুও বহু চাষির মাথায় হাত পড়েছে এই সিদ্ধান্তে। উৎপাদিত ফসল কীভাবে পৌঁছবে কলকাতার বাজারে, ভেবেই কুল পাচ্ছেন না দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের চাষীরা।

আগামী কয়েক দিন লকডাউন চলাকালীন আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় ভুগছেন কৃষকরা। কিন্তু কিছু তো করারও নেই, যেভাবেই হোক রুখতেই হবে মারণ করোনা। এমনই পণ করেছে গোটা দেশ। করোনার সংক্রমণ রুখতে বন্ধ রাখা হচ্ছে রেল পরিষেবাও। এই ঘোষণাতেই বিপাকে পড়েছেন রাজ্যের একাংশের ফল ও সবজি ব্যবসায়ীরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফল ও সবজি ব্যবসায়ীরা মূলত ট্রেন ও সড়ক পথেই কলকাতায় দ্রব্য সরবরাহ করেন।

লকডাউন ঘোষণা হওয়ায় ফল ও সবজি কলকাতার বাজারে নিয়ে যেতে মিলছে না গাড়ি। বারুইপুরের পাইকারি বাজারে ৯০% দাম কমে গিয়েছে ফলের। উৎপাদিত ফল কলকাতার বাজারে কিভাবে নিয়ে যাবেন, তা ভেবেই কুল পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার একটা বিস্তীর্ণ অঞ্চলের কৃষকরা সরাসরি ফল নিয়ে যান বাজারে। ট্রেন বাস বন্ধ থাকায় ব্যবসাদাররা কলকাতার বাজারে ফল পাঠাতে পারছেন না। ফলে অত্যন্ত কম দামে কৃষকরাও যেমন বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীদের ফল বেচতে, ঠিক তেমনি বাজারের ব্যবসায়ীরাও কৃষকদের থেকে নেওয়া ফল কম দামে বেচতে বাধ্য হচ্ছেন।

একই অবস্থা সবজি চাষিদেরও। সোমবার সকাল থেকে বারইপুর এর কাছারি বাজারে ভ্যান, সাইকেল, বাইকে সবজি নিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে কৃষকদের‌। বারইপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার একটা বড় অংশের কৃষকরা কাছারি বাজারেই তাদের ফসল নিয়ে আসেন। ট্রেন ও অন্য গাড়ি চলাচল না করায় উৎপাদিত ফসল কিভাবে কলকাতায় পাঠাবেন তা ভেবেই কুল পাচ্ছেন না কৃষকরা। কম দামে এলাকার ব্যবসায়ীদের উৎপাদিত ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

First published: March 23, 2020, 3:37 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर