লকডাউনে 'বাদাম কাকু, চা কাকুদের' ১হাজার টাকা তুলে দিলেন প্রেসিডেন্সির পড়ুয়ারা

লকডাউনে 'বাদাম কাকু, চা কাকুদের' ১হাজার টাকা তুলে দিলেন প্রেসিডেন্সির পড়ুয়ারা
দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। লকডাউন এর জেরে একাধিক মানুষ কার্যত আর্থিক সংকটে পড়েছেন। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলির পাশে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তথা রাজ্য সরকারের তরফেও খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু তারই মাঝে শহর কলকাতা এক অন্য ছবি দেখল।

দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। লকডাউন এর জেরে একাধিক মানুষ কার্যত আর্থিক সংকটে পড়েছেন। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলির পাশে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তথা রাজ্য সরকারের তরফেও খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু তারই মাঝে শহর কলকাতা এক অন্য ছবি দেখল।

  • Share this:

#কলকাতা: প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই নামটা অতি পরিচিত। কেননা বিকেলের পর থেকে এই বাদাম কাকুর সবাই খোঁজ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্টিকো বা বারান্দায় দুপুরের পর থেকেই খোঁজ পড়ে এই বাদাম কাকুর। অনেক ছাত্র-ছাত্রী অবশ্য এই বাদাম কাকুর ভালো নাম দিয়ে ডাকে না। বাদাম কাকুর ভালো নাম দিলীপ শাহ। ১৫ ই মার্চের পর থেকে কলেজ, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলি বন্ধ রয়েছে। তার জেরে দিন আনা দিন খাওয়া এই মানুষগুলির রোজগার বন্ধ হয়ে পড়েছে। আর তাই সামান্য হলেও মানবিকভাবে এই বাদাম কাকুদের পাশেই আর্থিকভাবে দাঁড়ালো প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ। অনলাইনে ১হাজার টাকা পাঠিয়ে সামান্য হলেও আর্থিক সহযোগিতাকে প্রশংসা করছেন প্রেসিডেন্সির প্রাক্তনীরাও। তবে শুধু বাদাম কাকু নয়, হিন্দু হোস্টেলের ৮ মেস স্টাফ, ও এক সময়ের চা কাকু প্রিয় আনন্দদা কেও এক হাজার টাকা দিয়ে এই লকডাউন এর সময় পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলো প্রেসিডেন্সির ছাত্রসংসদ।

দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। লকডাউনের জেরে একাধিক মানুষ কার্যত আর্থিক সংকটে পড়েছেন। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলির পাশে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তথা রাজ্য সরকারের তরফেও খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু তারই মাঝে শহর কলকাতা এক অন্য ছবি দেখল। প্রিয় চা কাকু 'আনন্দদা', বাদাম কাকু 'দিলীপদা' এদের পাশে আর্থিকভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন প্রেসিডেন্সির ছাত্রসংসদের পড়ুয়ারা। এ প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্সির ছাত্রসংসদ তরফে দীপ্রজিত সেনগুপ্ত বলেন " সবার কাছেই আমরা আর্থিক অনুদানের আবেদন রেখেছিলাম। তার মধ্যে থেকে যা সংগ্রহ হয়েছে তা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে অনলাইনে পাঠিয়ে দিয়েছি তাদের।"

ছাত্র সংসদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে প্রেসিডেন্সির প্রাক্তনীরা। উল্লেখযোগ্যভাবে এই প্রথম কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা এইভাবে তাদের বাদাম কাকু, চা কাকুদের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সহযোগিতা করল। অনেকেই বলছেন কলেজ স্ট্রিটে এই ভাবেই অসংখ্য চা, মুড়ি বাদাম বিক্রেতা স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রতিনিয়ত যান। প্রেসিডেন্সির ছাত্র-ছাত্রীদের মতই তাদের পাশে ও এই লকডাউনে আর্থিকভাবে দাঁড়ালে তাদেরও অনেকটাই সংসারে টানাটানি বন্ধ হয়।


 
Published by:Pooja Basu
First published:

লেটেস্ট খবর