আশার আলো! করোনার সম্ভাব্য ভ্যাকসিন তৈরি করলেন দেশের এক মহিলা গবেষক

এই প্রতিষেধকের ট্রায়াল আলাদা আলাদা স্টেজে করা হচ্ছে৷ সিয়াটেলে ৪৫ জন স্বাস্থ্যবান মানুষের শরীরে দু' বার কম মাত্রায় ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছে৷ এই ট্রায়াল পর্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির শরীরে করোনা প্রতিরোধকারী অ্যান্টি বডিজ-এর খোঁজ মেলে৷ যা ভাল লক্ষণ বলেই মনে করছেন গবেষকরা৷ PHOTO- FILE

হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সীমা মিশ্র করোনার সম্ভাব্য ভ্যাকসিন তৈরি করেছেন৷

  • Share this:

    #হায়দরাবাদ: গোটা বিশ্ব করোনার ভ্যাকসিন খুঁজে চলেছে৷ বিজ্ঞানীরা নিরলস পরিশ্রম করছেন৷ মহামারির এই ভয়াবহতায় সামান্য আশার আলো দেখাচ্ছেন ভারতের বিজ্ঞানীরা৷ আরও বিস্তারিত বললে, হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা৷ করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে তাঁরা অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছেন৷ যদি তাঁদের গবেষণা সফল হয়, তা হলে করোনা থেকে বিশ্বকে বাঁচাবেন ভারতই৷ হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রির এক অধ্যাপক একটি ভ্যাকসিন তৈরি করেছেন, যা পৃথিবীকে করোনার সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে৷ যদি তাঁর তৈরি ওই ভ্যাকসিন সফল হয়ে যায়, তা হলে করোনা মহামারি থেমে যাবে৷

    হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সীমা মিশ্র করোনার সম্ভাব্য ভ্যাকসিন তৈরি করেছেন৷ ভ্যাকসিনের নাম T cell এপিটোপিস৷ পরীক্ষামূলক ভাবে COVID0-19 রুখতে এই ভ্যাকসিন কাজে লাগানো যেতে পারে৷ যদি সাফল্য আসে, তা হলে তো বিশ্ববাসী বেঁচে যাবে৷

    এই ভ্যাকসিন কোষের মধ্যে গিয়ে প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে করোনা ভাইরাসকে কোষে ছড়িয়ে পড়া থেকে আটকাবে৷ সে ক্ষেত্রে করোনা ভাইরাল প্রোটিন ধ্বংস হতে পারে কোষেই৷ সীমা মিশ্র এই এপিটোপিস এমন ভাবে তৈরি করেছেন, যা গোটা বিশ্বকে ভ্যাকসিনেট করা সম্ভব৷

    তবে ভ্যাকসিনটি কার্যকরী হতে পারে কি না, তা পরীক্ষমূলক ভাবে দেখা হবে৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা এই ভ্যাকসিন বারবার পরীক্ষা করে দ্রুত সিদ্ধান্তে পৌঁছবে বলেই আশাবাদী৷

    Published by:Arindam Gupta
    First published: