corona virus btn
corona virus btn
Loading

কনটেইনমেন্ট জোনে পাড়ার স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমেই বাসিন্দাদের পরিষেবা দিতে চায় পুলিশ

কনটেইনমেন্ট জোনে পাড়ার স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমেই বাসিন্দাদের পরিষেবা দিতে চায় পুলিশ

কনটেইনমেন্ট জোনে সেই এলাকায় এক বা দু'জনকে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। তাঁর দায়িত্ব সেই পাড়ায় যতগুলি বাড়ি রয়েছে তাদের খাদ্য সামগ্রী থেকে শুরু করে ওষুধ, সবই ঘরে পৌঁছে দেওয়া।

  • Share this:

#কলকাতা: যে এলাকায় করোনা রোগী ধরা পড়ছে, সেই এলাকাকে সম্পূর্ণভাবে সিল করে দিয়ে 'কনটেইনমেন্ট জোন' হিসেবে ঘোষণা করছে প্রশাসন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের গাইডলাইন মেনেই এই কাজ করা হচ্ছে। কনটেইনমেন্ট জোনে যারা বসবাস করেন তাদের বাড়ির বাইরে বেরনো সম্পূর্ণভাবেই বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। কার্যত গৃহবন্দী তাঁরা। তাহলে ওই এলাকার বাসিন্দারা বাজারহাট বা ওষুধপত্র পাবেন কোথা থেকে? প্রশাসনের আশ্বাস, সবকিছুই পৌঁছে যাবে ঘরে।

কিন্তু কিভাবে?

কনটেইনমেন্ট জোনে সেই এলাকায় এক বা দু'জনকে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। তাঁর দায়িত্ব সেই পাড়ায় যতগুলি বাড়ি রয়েছে তাদের খাদ্য সামগ্রী থেকে শুরু করে ওষুধ, সবই ঘরে পৌঁছে দেওয়া। কনটেইনমেন্ট জোন এলাকার বাসিন্দাদের সবকিছুতেই পাশে থাকবেন সেই স্বেচ্ছাসেবক। ইতিমধ্যেই কলকাতায় বেশ কিছু জায়গায় পাড়ার স্বেচ্ছাসেবকদের সাহায্য নিয়ে পরিষেবা দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। অন্য জায়গাতেও খোঁজ চলছে এরকম স্বেচ্ছাসেবকের।

পুলিশ সূত্রে খবর, কোনও এলাকা কনটেইনমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পর সর্বপ্রথম ওই এলাকাকে সিল করে দেওয়া হচ্ছে। তারপর বাসিন্দাদের জানানো হচ্ছে যে কোনও প্রয়োজনে পাড়ার সেই স্বেচ্ছাসেবকের সাহায্য নেওয়ার জন্য। পাড়ার প্রত্যেকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে সেই স্বেচ্ছাসেবকের মোবাইল এবং হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর। বাজার, ওষুধ বা অন্যকিছু প্রয়োজন হলে ওই স্বেচ্ছাসেবকের নম্বরে জানাতে বলা হচ্ছে।

স্বেচ্ছাসেবকের কাজ পাড়ার লোকেদের থেকে তাদের প্রয়োজনীয়তা জেনে নিয়ে রোজ একটি তালিকা তৈরি করা। তারপর সেই প্রয়োজনীয় জিনিসের তালিকা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া। স্বেচ্ছাসেবকও যেহেতু একই এলাকার বাসিন্দা, তাই তিনি কখনই বাইরে বেরবেন না। রোজকার তালিকা তুলে দেবেন থানার নোডাল অফিসারের কাছে। তালিকা ধরে সব জিনিস এনে পুলিশ সেগুলি স্বেচ্ছাসেবকের কাছে পৌঁছে দেবে। তারপর সেচ্ছাসেবক সবার ঘরে পৌঁছে দেবেন। বিল হাতে দিয়ে টাকাও নিয়ে আসবেন।

বিল অনুযায়ী টাকা এনে কনটেইনমেন্ট জোনের ঠিক বাইরে একটি জায়গায় টাকা রেখে দেবেন। তারপর পুলিশ সেই টাকা স্যানিটাইজ করে নির্দিষ্ট দোকানে পৌঁছে দেবে। এভাবেই স্বেচ্ছাসেবক এর মাধ্যমে কনটেইনমেন্ট জোনের বাসিন্দাদের সবরকম পরিষেবা দেওয়া শুরু হয়েছে।

তবে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, যেসব এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক মিলছে না, সেখানে থানার পুলিশকর্মীরাই সাহায্য করছেন কনটেইনমেন্ট জোনের বাসিন্দাদের। কলকাতা পুলিশের এক থানার ওসি বলেন, "চেইন সিস্টেমে এখন পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ কনটেইনমেন্ট জোনের বাসিন্দারা কিছু প্রয়োজন হলে জানাবেন স্বেচ্ছাসেবককে। স্বেচ্ছাসেবকরা সেই বিষয়টি থানার নোডাল অফিসারকে জানাবেন। প্রত্যেকদিন যা যা প্রয়োজন হবে নোডাল অফিসার সেগুলি বাইরে থেকে এনে কনটেইনমেন্ট জোনে স্বেচ্ছাসেবকের হাতে পৌঁছে দেবেন।তারপর স্বেচ্ছাসেবকের কাজ সেগুলি প্রত্যেকের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া।"

Sujoy Paul

First published: May 3, 2020, 1:25 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर