corona virus btn
corona virus btn
Loading

জান লড়িয়ে দিল পুলিশ! হাসপাতালের অমানবিকতায় বিনা চিকিৎসায় প্রৌঢ়ের মৃত্যু গড়িয়াহাটে

জান লড়িয়ে দিল পুলিশ! হাসপাতালের অমানবিকতায় বিনা চিকিৎসায় প্রৌঢ়ের মৃত্যু গড়িয়াহাটে
এই অঞ্চলেই থাকতেন ওই বৃদ্ধ।

শুক্রবার দিনভর কলকাতার তিনটি হাসপাতালে সুনীল দাসকে ভর্তির জন্য চেষ্টা করা হয়। এমআর বাঙ্গুর, নীলরতন সরকার ও চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে ঘুরলেও কোনও জায়গাতেই ঠাঁই মেলেনি অসুস্থ বৃদ্ধের।

  • Share this:

কলকাতা: কোভিড পরিস্থিতিতে হাসপাতাল হয়রানির ঘটনা অনেক শুনেছে বাংলা। কিন্তু সপ্তাহ শেষের কলকাতা সাক্ষী থাকল এক অন‍্য ঘটনার। যেখানে পুলিশ মানবিক, অমানবিক মুখ দেখাল হাসপাতাল।

অসুস্থ ফুটপাতবাসী-কে চিকিৎসা দিতে শহরের তিনটি হাসপাতালের দরজায় দরজায় ঘুরে বিফল হলেন খোদ পুলিশকর্মীরা। ফলস্বরূপ, বিনা চিকিৎসায় মারা গেলেন গড়িয়াহাট উড়ালপুলের নীচে বসবাসকারী এক ফুটপাতবাসী।

ঘটনার সূত্রপাত, বৃহস্পতিবার।গোলপার্কের কাছে সড়ক দুর্ঘটনায় জখম হন গড়িয়াহাট উড়ালপুলের নিচে বসবাসকারী বছর ষাটেকের সুনীল দাস। গোলপার্কে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের মধ্যস্থতায় ফুটপাতবাসীকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকুরিয়ায় এক বেসরকারি হাসপাতালে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয় জখম ব্যক্তিকে।

শুক্রবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে ওই ব্যক্তির। মাথায় ও পায়ে আঘাত নিয়ে যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন সুনীল দাস নামে ওই প্রৌঢ়। স্থানীয় ফুটপাতবাসীরা খবর দেন গড়িয়াহাট থানায়। অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে পৌঁছে যান পুলিশ কর্মীরা।

শুক্রবার দিনভর কলকাতার তিনটি হাসপাতালে সুনীল দাসকে ভর্তির জন্য চেষ্টা করা হয়। এমআর বাঙ্গুর, নীলরতন সরকার ও চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে ঘুরলেও কোনও জায়গাতেই ঠাঁই মেলেনি অসুস্থ ফুটপাতবাসীর। দিনভর চেষ্টার পরেও কিছু করে উঠতে পারেননি পুলিশকর্মীরা।

স্থানীয় বাসিন্দা সাব্বির, রানারা বলছিলেন,"পুলিশ সব রকম ভাবে চেষ্টা করেছে। আমরাও ঘুরেছি পুলিশের সঙ্গে। কিন্তু কোন হাসপাতাল ভর্তি নিল না।"

শুক্রবার রাতে গড়িয়াহাট উড়ালপুলের নীচে ফিরিয়ে আনা হয় অসুস্থ সুনীল দাসকে। শনিবার সকাল অবধি সেখান পড়ে থেকেই বিনা চিকিৎসায় মারা যান ওই প্রৌঢ়। বাঙ্গুর ও এনআরএস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখবেন তারা।

কিন্তু মানুষটাই যে চলে গেল বিনা চিকিৎসায়! অভিযোগ পেয়ে, খতিয়ে দেখে কী ফিরিয়ে দেওয়া যাবে মানুষটাকে? পুলিশ সচেষ্ট হয়েও যেখানে হাসপাতালে ভর্তি করতে পারছে না, সেখানে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির হালটা সহজেই অনুমেয়।

Published by: Arka Deb
First published: August 8, 2020, 8:59 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर