corona virus btn
corona virus btn
Loading

Coronavirus Lockdown: বাজার থেকে হাসপাতাল, ফোন করলেই সব কাজের জন্যই হাজির হচ্ছে এই জায়গার পুলিশ

Coronavirus Lockdown: বাজার থেকে হাসপাতাল, ফোন করলেই সব কাজের জন্যই হাজির হচ্ছে এই জায়গার পুলিশ

পুলিশ সুপারের দাবী আপৎকালীন এই সময় জন্য তারা যে সহায়তা নম্বর চালু করেছেন সেটা চুরি বা জিনিষ খোয়া যাওয়ার অভিযোগ জানানোর জন্য নয়।বরং বিপদের সময় মানুষের পাশে থাকার জন্য।

  • Share this:

#বারাসত: লক ডাউন। অন লাইন সার্ভিসের মত পুলিশ এখন অন ফোনে।উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত জেলা পুলিশ গত ২৪ তারিখ হেল্প লাইন নম্বর চালু করে জেলাবাসীর জন্য। নম্বর টি হল 6292212378।বারাসাত পুলিশ জেলার সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবী গত চার দিন ৩০০ ফোন পেয়েছেন এই সহায়তা নম্বর।তার মধ্যে ২৫০ টি ফোন ছিল এই সময়ে গুরুত্বপূর্ণ। সবই হল পুলিশের সাধারণত যে কাজ তার বাইরে।পুলিশ সুপারের দাবী আপৎকালীন এই সময় জন্য তারা যে সহায়তা নম্বর চালু করেছেন সেটা চুরি বা জিনিষ খোয়া যাওয়ার অভিযোগ জানানোর জন্য নয়।বরং বিপদের সময় মানুষের পাশে থাকার জন্য।সেই কারনে দোলতলা পুলিশ লাইনে পুলিশ কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে চলছে পুলিশ হেল্প লাইন।

দোলতলা পুলিশ লাইনে এখন শুধু রিজার্ভ কর্মীদের হাজিরা দিয়েই ছাড় মিলছে না।জরুরী অবস্থায় নিরন্ন মানুষের জন্য খাবার প্যাকেট করা হচ্ছে। তাতে চাল ডাল আটা আলু দেওয়া হচ্ছে। আর এক দল পুলিশ কর্মী তৈরি করছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার।তবে পুলিশের হেল্প লাইন এ সব চেয়ে বেশী ফোন আসছে হাসপাতালে যেতে চেয়ে সহায়তা। বারাসাত জেলার পুলিশ সুপার পুলিশ জেলার সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবী মূলত প্রেগন্যান্ট মহিলার পরিবার হাসপাতালে যাওয়ার জন্য আ্যাম্বুলেন্স পাচ্ছে না।তাদের হেল্প লাইনে ফোন করলেই, তারা ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন।একই সঙ্গে নির্দিষ্ট দিন অন্তর যাঁদের ডায়ালিসিস দরকার তাদের পরিবার ফোন করলেই পুলিশ তারও ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। আবার রানাঘাটে এক যুবক লক ডাইনের মাঝে আটকে পড়ে ছিল। তিনিও পুলিশ হেল্প লাইন এ ফোন করে বাড়ি ফিরেছেন।

পুলিশ সুপারের দাবী শহরের প্রবীণ নাগরিক ও যাদের সন্তান বিদেশে থাকে তাদের পরিবারও এই পুলিশ হেল্প লাইনে সাহায্য চেয়েছে বাজার করে দেওয়ার।সেটাও পুলিশ করে দিয়েছে।তবে জিনিস কিনতে যে দাম পড়েছে সেটা তাকে মিটিয়ে দিতে হয়েছে। আজ শনিবার পুলিশ হেল্প লাইনের মধ্যমে তিনজনকে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে চিকিৎসার জন্য। বারাসাত হৃদয়পুরের শুভম ভট্টাচার্য, তার মা কে প্রতি শনিবার ও বুধবার ডায়ালিসস করাতে হয়।লকডাউনের শুরু বুধবার কোন রকমে একটি টোট করে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ছিলেন। তারপর স্যোশাল মিডিয়ায় পুলিশ হেল্প লাইন দেখে শনিবার সকাল ১১ টায় সাহায্য চেয়ে ফোন করেন।বেলা ৩টায় তার চাহিদা মত সময় আ্যম্বুলেন্স পৌছে যায় তার বাড়ির দরজা।দজ্জাল পুলিশের কথা অনেক শুনেছেন শুভম। কিন্তু এমন বন্ধু পুলিশ দেখে অভিভূত তিনি।

Rajorshi Roy

First published: March 29, 2020, 1:53 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर