শিলিগুড়ির পুলিশ অফিসার থেকে কর্মীরা সুস্থ হয়ে উঠছেন! কোভিড জয়ীরা ফের যোগ দিয়েছেন কাজে! 

শিলিগুড়ির পুলিশ অফিসার থেকে কর্মীরা সুস্থ হয়ে উঠছেন! কোভিড জয়ীরা ফের যোগ দিয়েছেন কাজে! 

সেরে উঠে কাজে যোগ দিয়ে সকলের মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

সেরে উঠে কাজে যোগ দিয়ে সকলের মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: প্রথম দিন থেকেই অতিমারি করোনার বিরুদ্ধে সামনের সারিতে থেকে লড়েছেন। লকডাউন সফল করতে রাস্তায় লড়াই চালিয়ে আসছেন। আক্রান্তের সম্ভাবনা রয়েছে, এটা জানা ছিল। তবুও সামনে থেকে লড়েছেন। সতর্কতা এবং সচেতনতাকে সঙ্গী করেই লড়াই চালিয়ে এসছেন।

চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে প্রয়োজনীয় ওষুধও নিয়েছেন। টোটকা হিসেবে সর্ষের তেলও নিয়েছেন। তবুও সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচেননি শিলিগুড়ির পুলিশ কর্মীরা। আক্রান্ত হয়েছেন খোদ শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার ত্রিপুরারি অর্থবও। তালিকায় রয়েছেন শিলিগুড়ির এসিপি, ভক্তিনগর থানার আইসি সহ একাধিক পুলিশ অফিসার। আবার ধীরে ধীরে সুস্থও হয়ে উঠছেন। সুস্থ হয়ে আবার অনেক পুলিশ কর্মীই কাজে যোগ দিয়েছেন। অনেকে আবার কাজে যোগ দেবেন। কিছুদিন হোম আইশোলেশনে কাটিয়ে। একাধিক পুলিশ অফিসার আক্রান্ত হওয়ায় পুলিশের নীচু তলায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ কমিশনার আক্রান্ত হওয়ায় অনেক কর্মীই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে মনোবল ভাঙলে চলবে না। আরো সতর্ক থাকতে হবে। মানসিক শক্তি বাড়িয়ে রাখতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে। বিশেষ করে সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে চলতে হবে এবং মাস্ক মাস্ট। অর্থাৎ কীনা মাস্ক পড়তে হবে। আর করোনায় আক্রান্ত হলেও মনের জেদ আরও বাড়াতে হবে। তাহলেই জয় আসবে। বললেন সদ্য কোভিড জয় করে আসা শিলিগুড়ি পুলিশের এসিপি স্বপন সরকার। তাঁর দাবী, সর্ষের তেলের টোটকাও কাজে এসছে। তুলনায় অনেক কম সংখ্যক পুলিশ কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন শিলিগুড়িতে। তবুও সতর্কভাবেই ডিউটি করতে হবে সহকারী পুলিশ কর্মীদের। সেইসঙ্গে তাঁর কথায় শহরের এক শ্রেণীর মানুষ বেপরোয়াভাবে চলছেন। তাদেরকে আরো সতর্ক হতে হবে। মনোবল চাঙ্গা রাখলেই জয় আসবে। হোম আইশোলেশনে সুস্থ হয়ে উঠছেন পুলিশ কমিশনারও। কাজে যোগ দিয়েছেন ভক্তিনগর থানার আইসি সুজয় টুঙ্গা, শ্রীমন্ত চট্টোপাধ্যায়রা। সকলেই শহরবাসী থেকে শ কর্মীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। আর মানসিকভাবে নিজেকে চাঙ্গা রাখারই পরামর্শ দিয়েছেন।

Partha Sarkar

Published by:Debalina Datta
First published: