Coronavirus Second Wave : অক্সিজেন সরবরাহে টাটাদের উদ্যোগ 'সহানুভুতিশীল', ভূয়সী প্রশংসা মোদির

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ Photo-ANI

প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণের পরেই টাটা গোষ্ঠীর তরফে জানানো হয়, দেশের অক্সিজেন সরবরাহের সাহায্যের জন্যে ২৪টি ক্রায়োজেনিক কন্টেনার আনানোর ব্যবস্থা করছে তারা।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি : গত বছরও আর্থিক অনুদান থেকে শুরু করে হাসপাতাল তৈরি, ভেন্টিলেটর, পিপিই কিট, টেস্টিং কিটের জোগান দিয়ে মানবিকতার নজির গড়েছিল টাটা গোষ্ঠী। এবারেও সেই পথেই হাঁটতে চলেছেন প্রবীণ ভারতীয় শিল্পপতি রতন টাটা। তেমনই ইঙ্গিত মিলেছে মঙ্গলবার রাতে টাটা শিল্প গোষ্ঠীর ট্যুইটার বার্তায়। এদিন রাতে দেশের করোনা অতিমারী প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণের পরেই ট্যুইটারে টাটা গোষ্ঠীর তরফে জানানো হয়, দেশের অক্সিজেন সরবরাহের সাহায্যের জন্যে ২৪টি ক্রায়োজেনিক কন্টেনার আনানোর ব্যবস্থা করছে তারা। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই টুইটের জবাবে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউকে ঝড়ের সঙ্গে তুলনা করে তিনি জানান, দেশের অক্সিজেন সরবরাহ নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। সকলের কাছে যাতে অক্সিজেন পৌঁছে যায়, সেই প্রচেষ্টাই করা হচ্ছে। অক্সিজেন উৎপাদন এবং সরবরাহ বৃদ্ধিতে বিভিন্ন স্তরে নানা ব্যবস্থাপনার কথাও বলেন তিনি।

    কিছুক্ষণ পরেই টাটা গোষ্ঠীর তরফে একটি ট্যুইট করা হয়। সেখানে বলা হয়, “ভারতের মানুষের কাছে প্রধানমন্ত্রীর আবেদন প্রশংসনীয়। আমরা কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য যথাসম্ভব চেষ্টা করব।" একইসঙ্গে তারা জানান, দেশের অক্সিজেন সঙ্কট মেটাতে টাটা গোষ্ঠী ২৪টি ক্রায়োজেনিক কন্টেনার আমদানি করছে, যা তরল অক্সিজেন পরিবহন ও অক্সিজেনের ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করবে।”

    টাটা গোষ্ঠী ট্যুইটে লেখে "অক্সিজেন সঙ্কট কমাতে এবং দেশে স্বাস্থ্যের পরিকাঠামো আরও উন্নত করার জন্য এটি একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র।" টাটা গোষ্ঠীর সেই ট্যুইটটিকে রিট্যুইট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “সহানুভূতিশীল পদক্ষেপ। একসঙ্গেই আমরা ভারতীয়রা করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করব।”

    প্রসঙ্গত, এর আগে শিল্পপতি মুকেশ অম্বানির সংস্থার তরফেও জানানো হয়েছিল, তারা ১০০ টন অক্সিজেন সরবরাহ করবে মহারাষ্ট্রে। টাটা গোষ্ঠীর তরফেও ইতিমধ্যেই ৩০ টন অক্সিজেন পাঠানো হয়েছে। গতবছরও সংক্রমণের শুরুতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল এই সংস্থাগুলি। টাটা গোষ্ঠীর ১৫০০ কোটি টাকা অনুদান, প্রচুর পরিমাণে ভেন্টিলেটর, পিপিই কিট, টেস্টিং কিট সরবরাহ করেছিল। কেরলে মাত্র ছয় সপ্তাহে একটি হাসপাতালও তৈরি করেছিল।

    দেশের জাতীয় সঙ্কটে রতন টাটা ও মুকেশ অম্বানিদের মতো শিল্পতিদের এগিয়ে আসাকে অত্যন্ত সদর্থক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে অন্যান্য প্রথম সারির উদ্যোগপতিরাও আগামী দিনে এগিয়ে আসবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন তাঁরা।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: