করোনার টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মা হীরাবেন মোদি, শুভেচ্ছা নেটিজেনদের

করোনার টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মা হীরাবেন মোদি, শুভেচ্ছা নেটিজেনদের

file photo

টিকাকরণের দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রথম দিনেই দিল্লির এইমস হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মা হীরাবেন গুজরাটের গান্ধীনগরে থাকেন। তাঁর বয়স হয়েছে নিরানব্বই বছর।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি : ছেলের নেওয়া হয়ে গিয়েছিল গত সপ্তাহের শুরুতেই। আজ ভ্যাকসিন নিলেন মা। আর বৃদ্ধ মায়ের ভ্যাকসিন নেওয়ার খবর সকলকে জানালেন ছেলে নিজেই। তবে এই ছেলে তো আর যে কেউ নন। তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। মা হীরাবেন মোদিকে করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার। সেই কথাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ট্যুইটের মাধ্যমে জানান। তিনি লেখেন, "আমি এটা জানাতে পেরে খুবই আনন্দ অনুভব করছি যে, আমার মাকে করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে।" যদিও তাঁর মা হীরাবেন মোদিকে কোন ভ্যাকসিন দেওয়া হল, 'কোভিশিল্ড' না 'কোভ্যাকসিন', তা নিয়ে বিশদে কিছু জানাননি প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরও লেখেন, আমি সবাইকে আবেদন করছি যাতে করোনা ভ্যাকসিন নেওয়ার যোগ্য অথবা ভ্যাকসিন নেওয়ার নিয়মের আওতায় আছেন এমন ব্যক্তিরা সবাই যেন টিকা নিতে এগিয়ে আসেন আর অন্যদেরও প্রেরণা দিন।

    এদিকে প্রধানমন্ত্রীর মায়ের কোরোনাভাইরাসের টিকা নেওয়ার খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে আসতেই নেটিজেনদের একাংশ তাঁর সুস্থতা কামনা করে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান। তাঁদের মধ্যে অনেকে আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, এই পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের মনে টিকাকরণ সংক্রান্ত ভয় ও সংশয় কাটাবে। কোভিড ১৯ -এর টিকার ওপর মানুষের আস্থা আরও বাড়বে।

    উল্লেখ্য, টিকাকরণের  দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রথম দিনেই দিল্লির এইমস হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মা হীরাবেন গুজরাটের গান্ধীনগরে থাকেন। তাঁর বয়স হয়েছে নিরানব্বই বছর। আর এই বয়সেও তিনি বেশ সক্রিয় থাকেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজের মায়ের থেকে দূরে থাকলেও তিনি হীরাবেনকে খুব ভালোবাসেন। প্রধানমন্ত্রী যখনই গুজরাত সফরে যান, তখন তিনি নিজের মার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এছাড়াও তিনি জন্মদিনেও  মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: