corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা পরিস্থিতি বাড়াচ্ছে মানসিক চাপ, তাই লকডাউনে বন্দিদশায় কী করবেন টিপস দিলেন মনোবিদ

করোনা পরিস্থিতি বাড়াচ্ছে মানসিক চাপ, তাই লকডাউনে বন্দিদশায় কী করবেন টিপস দিলেন মনোবিদ
Photo- Representive
  • Share this:

#কলকাতা: করোনা ভাইরাস নিয়ে বেশি চিন্তা করলে হতে পারে অন্যান্য অনেক সমস্যা। অতিরিক্ত  মানসিক  চাপ নিয়ে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারে বহু মানুষ, বিশ্বজুড়ে এমনটাই আশঙ্কা করছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা। এই সমস্যা থেকে দূরে থাকতে হলে লকডাউনের ছুটি উপভোগ করতে হবে, মন দিতে হবে নান্দনিক কাজে, মত মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের।

একদিকে করোনা ভীতি, অন্যদিকে লকডাউন। তাই সারা বিশ্ব এখন মোটামুটি গৃহবন্দী। বহু মানুষ বিদেশে আটকে রয়েছেন। একটা উৎকন্ঠা গ্রাস করছে সকলের মনে। অন্যের ওপর নির্ভরশীলরাই তো বটেই, স্বনির্ভররাও এখন অবসাদগ্রস্থ। মনে আতঙ্ক নিয়ে কাজ করছেন ফ্রন্টলাইনাররাও। যেমন ডাক্তার বা পুলিশকর্মীদের মধ্যেও ভর করছে এক ধরনের সংশয়। আবার অনেকেই কর্মস্থল থেকে ফিরে নিজের প্রিয়জনের কাছে যেতে ভয় পাচ্ছেন। ক্যান্সার বা কিডনি রোগীদের চিকিৎসা  বিঘ্নিত। গর্ভবতীরাও উদ্বেগে আছেন। উদ্বেগ বেড়েই চলেছে সকলের মনে।

এই উদ্বেগ থেকে নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে মনে। তাই মানসিক স্বাস্থ্যকেও বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। লকডাউনের পরে সমস্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়। তার মতে, বয়স্কদের ক্ষেত্রে কাজ করছে এক ধরনের ভয়। আবার   ছোটদের ক্ষেত্রেও রয়েছে অন্য ধরনের ভয়। ডায়াবেটিকরা ভয় পাচ্ছেন কোভিড-১৯-এর। আবার তরুণরা ভয় পাচ্ছেন নিজেদের ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে। এই লকডাউনে তরুণরা আরও বেশি করে আইসোলেটেড হয়ে পড়ছে বলে মনে করেন তিনি। বাইরে বেড়োতে পারছেনা।আবার বাড়িতেও বাবা-মার সঙ্গে তেমন যোগাযোগ তাঁদের নেই। ইন্টারনেট আর নিজস্ব জীবনগণ্ডি তাঁদের আরও বেশি এক ঘরে তুলছে।

Photo- Representive Photo- Representive

ডঃ বন্দোপাধ্যায় বলেন, তরুণদের বেশি করে অভিভাবকদের সঙ্গে সময় কাটানো জরুরি। লকডাউনে পাওয়া ছুটিটা উপভোগ করতে হবে। গঠনমূলক কাজে সময় দিতে হবে। জীবনে মজার জায়গা গুলিকে চিহ্ণিত করে সেগুলিকে উপভোগ করার পরামর্শ দেন তিনি। একই সঙ্গে বাড়ির পরিবেশ ঠিক রেখে জরুরি। সেইসঙ্গে শারীরিক ব্যস্ততা বাড়ানোর কথা বলেন তিনি। দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় পরিবর্তন না আনাই ভালো। বাড়িতে বসেই নিজস্ব রুটিন বজায় রাখারও পরামর্শ দেন তিনি। তাঁর মতে, অযথা আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। উতকন্ঠাকে বাড়াতে দিলে চলবে না। তাই ভালো লাগার জিনিষগুলিকে সঙ্গে নিয়ে সময় কাটানোর পরামর্শ দেন তিনি।

SOUJAN MONDAL

Published by: Debalina Datta
First published: May 15, 2020, 3:15 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर